ঢাকা নিউজ

ইরানের কাছে কতগুলো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র অবশিষ্ট আছে তা নিয়ে ইসরাইলের বিভ্রান্তি



ইরানের কাছে কতগুলো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র অবশিষ্ট আছে তা নিয়ে ইসরাইলের বিভ্রান্তি
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের বর্তমান ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার এবং সেগুলোর সক্ষমতা নিয়ে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) ও গোয়েন্দা সূত্রগুলোর মধ্যে পরস্পরবিরোধী তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। ইসরাইলের চ্যানেল ১২-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের কাছে এখনো ১,০০০-এর বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, যা আইডিএফ-এর আগের কয়েক শত ক্ষেপণাস্ত্রের অনুমানের চেয়ে অনেক বেশি।

আইডিএফ-এর তথ্যমতে, যুদ্ধ শুরুর সময় ইরানের কাছে প্রায় ২,৫০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছিল। এর মধ্যে ইরান ইসরাইল অভিমুখে ৫০০ এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর দিকে প্রায় ১,৩০০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এই হিসাব অনুযায়ী ইরানের হাতে এখন ৭০০-র কম ক্ষেপণাস্ত্র থাকার কথা থাকলেও ইসরাইলি সূত্রগুলো স্বীকার করেছে যে, সঠিক সংখ্যাটি আসলে কারো জানা নেই।

ইসরাইলি হামলার ফলে ইরানের অনেক ক্ষেপণাস্ত্র ও লঞ্চার ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে। আইডিএফ দাবি করেছে যে, ইরানের প্রায় ৭০-৮০ শতাংশ লঞ্চার সাময়িকভাবে অকেজো হয়েছে, যার অর্ধেক সম্পূর্ণ ধ্বংস এবং বাকি অর্ধেক মাটির নিচে চাপা পড়ে আছে। তবে ইরান বিশেষ প্রযুক্তি ও বুলডোজার টিম ব্যবহার করে দ্রুততম সময়ে এই সাইলো বা ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারগুলো পুনরায় ব্যবহারের উপযোগী করে তোলার সক্ষমতা রাখে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল কোনো কোনো সময় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ৯০ শতাংশ হ্রাস পাওয়ার দাবি করলেও মাঠপর্যায়ে পরিস্থিতির ভিন্নতা দেখা গেছে। তবে যুদ্ধের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে এবং সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে এই সংখ্যা দৈনিক ২০টির নিচে নেমে এসেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬


ইরানের কাছে কতগুলো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র অবশিষ্ট আছে তা নিয়ে ইসরাইলের বিভ্রান্তি

প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ইরানের বর্তমান ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার এবং সেগুলোর সক্ষমতা নিয়ে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) ও গোয়েন্দা সূত্রগুলোর মধ্যে পরস্পরবিরোধী তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। ইসরাইলের চ্যানেল ১২-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের কাছে এখনো ১,০০০-এর বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, যা আইডিএফ-এর আগের কয়েক শত ক্ষেপণাস্ত্রের অনুমানের চেয়ে অনেক বেশি।

আইডিএফ-এর তথ্যমতে, যুদ্ধ শুরুর সময় ইরানের কাছে প্রায় ২,৫০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছিল। এর মধ্যে ইরান ইসরাইল অভিমুখে ৫০০ এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর দিকে প্রায় ১,৩০০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এই হিসাব অনুযায়ী ইরানের হাতে এখন ৭০০-র কম ক্ষেপণাস্ত্র থাকার কথা থাকলেও ইসরাইলি সূত্রগুলো স্বীকার করেছে যে, সঠিক সংখ্যাটি আসলে কারো জানা নেই।

ইসরাইলি হামলার ফলে ইরানের অনেক ক্ষেপণাস্ত্র ও লঞ্চার ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে। আইডিএফ দাবি করেছে যে, ইরানের প্রায় ৭০-৮০ শতাংশ লঞ্চার সাময়িকভাবে অকেজো হয়েছে, যার অর্ধেক সম্পূর্ণ ধ্বংস এবং বাকি অর্ধেক মাটির নিচে চাপা পড়ে আছে। তবে ইরান বিশেষ প্রযুক্তি ও বুলডোজার টিম ব্যবহার করে দ্রুততম সময়ে এই সাইলো বা ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারগুলো পুনরায় ব্যবহারের উপযোগী করে তোলার সক্ষমতা রাখে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল কোনো কোনো সময় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ৯০ শতাংশ হ্রাস পাওয়ার দাবি করলেও মাঠপর্যায়ে পরিস্থিতির ভিন্নতা দেখা গেছে। তবে যুদ্ধের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে এবং সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে এই সংখ্যা দৈনিক ২০টির নিচে নেমে এসেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ