ইরানে বিধ্বস্ত মার্কিন যুদ্ধবিমান থেকে দ্বিতীয় ক্রুকে সফলভাবে উদ্ধারের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। রোববার এক রেকর্ডকৃত ভাষণে তিনি এই উদ্ধার অভিযানকে একটি অসাধারণ ঘটনা হিসেবে অভিহিত করেন এবং মার্কিন যোদ্ধাদের সাহসিকতার প্রশংসা করেন।
গত শুক্রবার সকালে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড যুক্তরাষ্ট্রের একটি এফ-১৫-ই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে। বিমানটিতে থাকা দুজন ক্রুর মধ্যে একজনকে ঘটনার দিনই উদ্ধার করা হয়েছিল। দ্বিতীয় ক্রুকে খুঁজে বের করতে যুক্তরাষ্ট্রের স্পেশাল ফোর্সের সদস্যরা সরাসরি ইরানি ভূখণ্ডে প্রবেশ করে তল্লাশি চালায় এবং রোববার তাকেও জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
নেতানিয়াহু তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, এই উদ্ধার অভিযান ‘কাউকে পেছনে ফেলে রাখা হবে না’—এই গুরুত্বপূর্ণ নীতিকে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করেছে। তিনি এই দুঃসাহসিক অভিযানকে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর অতীতের বিভিন্ন সফল উদ্ধার অভিযানের সঙ্গে তুলনা করেন এবং একে দুই দেশের সামরিক সক্ষমতার প্রতিফলন হিসেবে বর্ণনা করেন।
উল্লেখ্য যে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার প্রেক্ষাপটে এই বিমান ভূপাতিত করার ঘটনাটি ঘটে। এই উদ্ধার অভিযানের সফল সমাপ্তি দুই দেশের মিত্রতার অঙ্গীকারকে আরও দৃঢ় করেছে বলে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে গুরুত্বারোপ করেন।

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
ইরানে বিধ্বস্ত মার্কিন যুদ্ধবিমান থেকে দ্বিতীয় ক্রুকে সফলভাবে উদ্ধারের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। রোববার এক রেকর্ডকৃত ভাষণে তিনি এই উদ্ধার অভিযানকে একটি অসাধারণ ঘটনা হিসেবে অভিহিত করেন এবং মার্কিন যোদ্ধাদের সাহসিকতার প্রশংসা করেন।
গত শুক্রবার সকালে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড যুক্তরাষ্ট্রের একটি এফ-১৫-ই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে। বিমানটিতে থাকা দুজন ক্রুর মধ্যে একজনকে ঘটনার দিনই উদ্ধার করা হয়েছিল। দ্বিতীয় ক্রুকে খুঁজে বের করতে যুক্তরাষ্ট্রের স্পেশাল ফোর্সের সদস্যরা সরাসরি ইরানি ভূখণ্ডে প্রবেশ করে তল্লাশি চালায় এবং রোববার তাকেও জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
নেতানিয়াহু তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, এই উদ্ধার অভিযান ‘কাউকে পেছনে ফেলে রাখা হবে না’—এই গুরুত্বপূর্ণ নীতিকে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করেছে। তিনি এই দুঃসাহসিক অভিযানকে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর অতীতের বিভিন্ন সফল উদ্ধার অভিযানের সঙ্গে তুলনা করেন এবং একে দুই দেশের সামরিক সক্ষমতার প্রতিফলন হিসেবে বর্ণনা করেন।
উল্লেখ্য যে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার প্রেক্ষাপটে এই বিমান ভূপাতিত করার ঘটনাটি ঘটে। এই উদ্ধার অভিযানের সফল সমাপ্তি দুই দেশের মিত্রতার অঙ্গীকারকে আরও দৃঢ় করেছে বলে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে গুরুত্বারোপ করেন।

আপনার মতামত লিখুন