যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ সামরিক অভিযানে ইরানের এক জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডার নিহত হয়েছেন। নিহত কমান্ডারের নাম ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাসউদ জারেই বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম নিশ্চিত করেছে। তিনি শাহিন শহরের সেনাবাহিনীর এয়ার ডিফেন্স কলেজের প্রধান হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন বলে বার্তা সংস্থা মেহেরের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার পর থেকে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। এই ধারাবাহিক হামলায় এ পর্যন্ত দেশটির প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ ২ হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। জ্যেষ্ঠ এই সেনা কর্মকর্তার মৃত্যু সেই তালিকায় নতুন করে যুক্ত হলো।
এই হামলার জবাবে ইরানও পাল্টা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তেহরান ইসরাইলসহ জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ইরান।
বর্তমানে এই পাল্টাপাল্টি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় রয়েছে। দুই পক্ষের এই সংঘাত কেবল ইরান সীমান্তেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর ওপরও প্রভাব ফেলছে বলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা জানিয়েছেন।

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ সামরিক অভিযানে ইরানের এক জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডার নিহত হয়েছেন। নিহত কমান্ডারের নাম ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাসউদ জারেই বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম নিশ্চিত করেছে। তিনি শাহিন শহরের সেনাবাহিনীর এয়ার ডিফেন্স কলেজের প্রধান হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন বলে বার্তা সংস্থা মেহেরের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার পর থেকে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। এই ধারাবাহিক হামলায় এ পর্যন্ত দেশটির প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ ২ হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। জ্যেষ্ঠ এই সেনা কর্মকর্তার মৃত্যু সেই তালিকায় নতুন করে যুক্ত হলো।
এই হামলার জবাবে ইরানও পাল্টা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তেহরান ইসরাইলসহ জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ইরান।
বর্তমানে এই পাল্টাপাল্টি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় রয়েছে। দুই পক্ষের এই সংঘাত কেবল ইরান সীমান্তেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর ওপরও প্রভাব ফেলছে বলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন