বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারীর পর এবার আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহর ভিসা বাতিল করেছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। রোববার দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিদ্ধান্ত জানায়। ইহুদি সম্প্রদায়কে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য এবং বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য তাদের দায়ী করার অভিযোগে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে প্রভাবশালী গণমাধ্যম দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ নিশ্চিত করেছে।
সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া সফরকালে সিডনিতে একটি অনুষ্ঠানে শায়খ আহমাদুল্লাহর বক্তব্য দেওয়ার কথা ছিল। তবে এর আগেই তার কিছু পুরনো ভিডিও বক্তব্য প্রকাশ্যে এলে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। ভিডিওতে তাকে ইহুদিদের নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করতে শোনা যায়, যা অস্ট্রেলীয় কর্তৃপক্ষ চরম ইহুদিবিদ্বেষী হিসেবে গণ্য করেছে। বর্তমানে তিনি দেশটির বাইরে অবস্থান করলেও এই আদেশের ফলে পুনরায় সেখানে প্রবেশ করতে পারবেন না।
ভিসা বাতিলের এই সিদ্ধান্তের ফলে সিডনিসহ ক্যানবেরা, অ্যাডিলেড এবং পার্থে নির্ধারিত তার বাকি তিনটি অনুষ্ঠানও বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘ইসলামিক প্র্যাকটিস অ্যান্ড দাওয়াহ সার্কেল’-এর আমন্ত্রণে একটি বিশেষ সফরে অস্ট্রেলিয়া গিয়েছিলেন। তবে ভিসা জটিলতা ও প্রতিবাদের মুখে তিনি নির্ধারিত সময়ের আগেই দেশটি ত্যাগ করেন।
অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন বিষয়ক সহকারী মন্ত্রী ম্যাট থিসলেথওয়েট এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, যারা ইহুদিবিদ্বেষী বা ইসলামবিদ্বেষী মতাদর্শ ছড়ায়, তাদের প্রতি দেশটির কোনো সহনশীলতা নেই। মাইগ্রেশন অ্যাক্ট অনুযায়ী সরকার এই ধরনের ভিসা বাতিলের ক্ষমতা রাখে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এর আগে একই কারণে অপর বাংলাদেশি বক্তা মিজানুর রহমান আজহারীর বিরুদ্ধেও অনুরূপ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।
এদিকে দেশটির বিরোধী দলীয় ছায়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইকেলিয়া ক্যাশ বর্তমান সরকারের স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে এই ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেছেন। অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বর্তমানে শায়খ আহমাদুল্লাহকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করার বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। এ বিষয়ে চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারীর পর এবার আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহর ভিসা বাতিল করেছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। রোববার দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিদ্ধান্ত জানায়। ইহুদি সম্প্রদায়কে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য এবং বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য তাদের দায়ী করার অভিযোগে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে প্রভাবশালী গণমাধ্যম দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ নিশ্চিত করেছে।
সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া সফরকালে সিডনিতে একটি অনুষ্ঠানে শায়খ আহমাদুল্লাহর বক্তব্য দেওয়ার কথা ছিল। তবে এর আগেই তার কিছু পুরনো ভিডিও বক্তব্য প্রকাশ্যে এলে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। ভিডিওতে তাকে ইহুদিদের নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করতে শোনা যায়, যা অস্ট্রেলীয় কর্তৃপক্ষ চরম ইহুদিবিদ্বেষী হিসেবে গণ্য করেছে। বর্তমানে তিনি দেশটির বাইরে অবস্থান করলেও এই আদেশের ফলে পুনরায় সেখানে প্রবেশ করতে পারবেন না।
ভিসা বাতিলের এই সিদ্ধান্তের ফলে সিডনিসহ ক্যানবেরা, অ্যাডিলেড এবং পার্থে নির্ধারিত তার বাকি তিনটি অনুষ্ঠানও বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘ইসলামিক প্র্যাকটিস অ্যান্ড দাওয়াহ সার্কেল’-এর আমন্ত্রণে একটি বিশেষ সফরে অস্ট্রেলিয়া গিয়েছিলেন। তবে ভিসা জটিলতা ও প্রতিবাদের মুখে তিনি নির্ধারিত সময়ের আগেই দেশটি ত্যাগ করেন।
অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন বিষয়ক সহকারী মন্ত্রী ম্যাট থিসলেথওয়েট এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, যারা ইহুদিবিদ্বেষী বা ইসলামবিদ্বেষী মতাদর্শ ছড়ায়, তাদের প্রতি দেশটির কোনো সহনশীলতা নেই। মাইগ্রেশন অ্যাক্ট অনুযায়ী সরকার এই ধরনের ভিসা বাতিলের ক্ষমতা রাখে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এর আগে একই কারণে অপর বাংলাদেশি বক্তা মিজানুর রহমান আজহারীর বিরুদ্ধেও অনুরূপ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।
এদিকে দেশটির বিরোধী দলীয় ছায়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইকেলিয়া ক্যাশ বর্তমান সরকারের স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে এই ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেছেন। অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বর্তমানে শায়খ আহমাদুল্লাহকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করার বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। এ বিষয়ে চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন