ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) গোয়েন্দা প্রধান মেজর জেনারেল মজিদ খাদেমি নিহত হওয়ার ঘটনায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সোমবার (৬ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই হত্যাকাণ্ডকে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর এক বিশাল সাফল্য হিসেবে অভিহিত করেন। একই সঙ্গে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন যে, ইসরাইল তার লক্ষ্য অর্জনে ‘পূর্ণ শক্তিতে’ অভিযান অব্যাহত রাখবে।
শীর্ষ কর্মকর্তাদের হত্যার বিষয়টি নিশ্চিতকরণ: নেতানিয়াহু তার পোস্টে আইআরজিসির কুদস ফোর্সের গোপন ইউনিট ৮৪০-এর প্রধান ইয়াজদান মির (যিনি ‘সর্দার বাঘেরি’ নামে পরিচিত) নিহতের বিষয়টিকেও স্বাগত জানান। নেতানিয়াহুর দাবি, এই কর্মকর্তা বিশ্বজুড়ে ইহুদি ও ইসরাইলিদের ওপর হামলার পরিকল্পনার সাথে সরাসরি যুক্ত ছিলেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "যে কেউ আমাদের নাগরিকদের হত্যার চেষ্টা করবে কিংবা ইরানের ‘অশুভ জোট’ গড়ে তুলবে—তার পরিণতির দায় তার নিজেরই।"
লেবাননেও বড় ধরনের হামলা: এদিকে, ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, লেবাননে এক বিমান হামলায় ইরানপন্থী ‘ইমাম হোসেইন ডিভিশন’-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি ধ্বংস করা হয়েছে। এই হামলায় ওই ইউনিটের আর্টিলারি প্রধান কামিল মেলহেমসহ বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কমান্ডার নিহত হয়েছেন। হিজবুল্লাহর সঙ্গে সমন্বয়ে কাজ করা এই ইউনিটের ওপর হামলাটি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
যুদ্ধের লক্ষ্য নিয়ে নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি: টাইমস অব ইসরাইলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেতানিয়াহু স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে সব ধরনের হুমকি দূর না হওয়া পর্যন্ত তারা থামবেন না। তিনি বলেন, "আমরা শক্তি ও দৃঢ়তার সঙ্গে কাজ করছি, আমাদের ক্ষতি করতে চাইলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।"
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের বৃহত্তম পেট্রোকেমিক্যাল কেন্দ্রে হামলা এবং একই দিনে আইআরজিসির শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের হত্যার পর ইসরাইলের এই ‘পূর্ণ শক্তি’ প্রয়োগের ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যকে এক মহাপ্রলয়ের দিকে ঠেলে দিতে পারে। বর্তমানে ইরান ও ইসরাইল—উভয় পক্ষই একে অপরের ওপর বিধ্বংসী আঘাত হানার প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার জন্য চরম উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) গোয়েন্দা প্রধান মেজর জেনারেল মজিদ খাদেমি নিহত হওয়ার ঘটনায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সোমবার (৬ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই হত্যাকাণ্ডকে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর এক বিশাল সাফল্য হিসেবে অভিহিত করেন। একই সঙ্গে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন যে, ইসরাইল তার লক্ষ্য অর্জনে ‘পূর্ণ শক্তিতে’ অভিযান অব্যাহত রাখবে।
শীর্ষ কর্মকর্তাদের হত্যার বিষয়টি নিশ্চিতকরণ: নেতানিয়াহু তার পোস্টে আইআরজিসির কুদস ফোর্সের গোপন ইউনিট ৮৪০-এর প্রধান ইয়াজদান মির (যিনি ‘সর্দার বাঘেরি’ নামে পরিচিত) নিহতের বিষয়টিকেও স্বাগত জানান। নেতানিয়াহুর দাবি, এই কর্মকর্তা বিশ্বজুড়ে ইহুদি ও ইসরাইলিদের ওপর হামলার পরিকল্পনার সাথে সরাসরি যুক্ত ছিলেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "যে কেউ আমাদের নাগরিকদের হত্যার চেষ্টা করবে কিংবা ইরানের ‘অশুভ জোট’ গড়ে তুলবে—তার পরিণতির দায় তার নিজেরই।"
লেবাননেও বড় ধরনের হামলা: এদিকে, ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, লেবাননে এক বিমান হামলায় ইরানপন্থী ‘ইমাম হোসেইন ডিভিশন’-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি ধ্বংস করা হয়েছে। এই হামলায় ওই ইউনিটের আর্টিলারি প্রধান কামিল মেলহেমসহ বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কমান্ডার নিহত হয়েছেন। হিজবুল্লাহর সঙ্গে সমন্বয়ে কাজ করা এই ইউনিটের ওপর হামলাটি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
যুদ্ধের লক্ষ্য নিয়ে নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি: টাইমস অব ইসরাইলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেতানিয়াহু স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে সব ধরনের হুমকি দূর না হওয়া পর্যন্ত তারা থামবেন না। তিনি বলেন, "আমরা শক্তি ও দৃঢ়তার সঙ্গে কাজ করছি, আমাদের ক্ষতি করতে চাইলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।"
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের বৃহত্তম পেট্রোকেমিক্যাল কেন্দ্রে হামলা এবং একই দিনে আইআরজিসির শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের হত্যার পর ইসরাইলের এই ‘পূর্ণ শক্তি’ প্রয়োগের ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যকে এক মহাপ্রলয়ের দিকে ঠেলে দিতে পারে। বর্তমানে ইরান ও ইসরাইল—উভয় পক্ষই একে অপরের ওপর বিধ্বংসী আঘাত হানার প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার জন্য চরম উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন