মেক্সিকো সিটির ঐতিহ্যবাহী ‘জুডাস পোড়ানো’ উৎসবে এবার অশুভ শক্তির প্রতীক হিসেবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কুশপুত্তলিকা পোড়ানো হয়েছে। গত শনিবার (৪ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত এই উৎসবে বিশ্বের সব মন্দকে পুড়িয়ে ফেলার প্রতীকী হিসেবে এই দুই বিশ্ব নেতার মূর্তিতে আগুন ধরিয়ে দেয় সাধারণ মানুষ।
উৎসবের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে একটি বিশাল কার্ডবোর্ডের মূর্তিতে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর দুটি মাথা একই শরীরে জোড়া লাগিয়ে তৈরি করা হয়েছিল। এ সময় মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শেইনবামের মূর্তিও পোড়ানো হয়। কয়েক দশকের পুরনো এই উৎসবটি মূলত যিশু খ্রিস্টের সঙ্গে জুডাস ইসকারিয়টের বিশ্বাসঘাতকতার স্মরণে পালন করা হয়, যা বর্তমানে সমসাময়িক রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি জনগণের ক্ষোভ প্রকাশের মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর কুশপুত্তলিকা পোড়ানোর এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ এবং মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির প্রতি মেক্সিকোর সাধারণ মানুষের তীব্র প্রতিবাদ ও ঘৃণার প্রতিফলন। উৎসবের মাধ্যমে স্থানীয়রা বার্তা দিয়েছেন যে, বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে এই নেতাদের কর্মকাণ্ডকে তারা ‘অশুভ’ হিসেবেই বিবেচনা করছেন। এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
মেক্সিকো সিটির ঐতিহ্যবাহী ‘জুডাস পোড়ানো’ উৎসবে এবার অশুভ শক্তির প্রতীক হিসেবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কুশপুত্তলিকা পোড়ানো হয়েছে। গত শনিবার (৪ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত এই উৎসবে বিশ্বের সব মন্দকে পুড়িয়ে ফেলার প্রতীকী হিসেবে এই দুই বিশ্ব নেতার মূর্তিতে আগুন ধরিয়ে দেয় সাধারণ মানুষ।
উৎসবের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে একটি বিশাল কার্ডবোর্ডের মূর্তিতে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর দুটি মাথা একই শরীরে জোড়া লাগিয়ে তৈরি করা হয়েছিল। এ সময় মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শেইনবামের মূর্তিও পোড়ানো হয়। কয়েক দশকের পুরনো এই উৎসবটি মূলত যিশু খ্রিস্টের সঙ্গে জুডাস ইসকারিয়টের বিশ্বাসঘাতকতার স্মরণে পালন করা হয়, যা বর্তমানে সমসাময়িক রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি জনগণের ক্ষোভ প্রকাশের মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর কুশপুত্তলিকা পোড়ানোর এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ এবং মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির প্রতি মেক্সিকোর সাধারণ মানুষের তীব্র প্রতিবাদ ও ঘৃণার প্রতিফলন। উৎসবের মাধ্যমে স্থানীয়রা বার্তা দিয়েছেন যে, বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে এই নেতাদের কর্মকাণ্ডকে তারা ‘অশুভ’ হিসেবেই বিবেচনা করছেন। এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন