ইরানকে এক রাতেই ধ্বংস করে দেওয়ার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরাসরি হুমকির কড়া জবাব দিয়েছে তেহরান। মঙ্গলবার ইরানের সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক ভাষা ও অযৌক্তিক হুমকিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি বাহিনীর বিরুদ্ধে তাদের চলমান প্রতিরোধ অভিযান বিন্দুমাত্র ব্যাহত হবে না। তারা যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে।
উল্লেখ্য, গতকাল হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডোনাল্ড ট্রাম্প অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে বলেন, "পুরো দেশটাকে এক রাতেই শেষ করে দেওয়া সম্ভব, আর সেই রাতটা হতে পারে আগামীকালই (মঙ্গলবার রাত)।" তিনি হুশিয়ারি দেন যে, বেঁধে দেওয়া সময়সীমা বা আলটিমেটাম পেরিয়ে গেলে ইরানকে ‘প্রস্তর যুগে’ পাঠিয়ে দেওয়া হবে। ট্রাম্পের হুমকি অনুযায়ী, ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সব সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়া হতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্পের পাশে উপস্থিত ছিলেন যৌথ বাহিনী প্রধান জেনারেল ড্যান কেইন এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। ট্রাম্প যদিও দাবি করেছেন যে তিনি বিশ্বাস করেন ইরানের নেতারা ‘সৎ বিশ্বাসে’ আলোচনা করছেন, তবে তিনি একই সঙ্গে চরম সামরিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকিও বজায় রেখেছেন। ট্রাম্পের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবারই (বাংলাদেশ সময় বুধবার সকাল) সেই চূড়ান্ত রাত হতে পারে।
এই পাল্টাপাল্টি হুমকির ফলে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখন এক ভয়াবহ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। ইরানের সামরিক বাহিনী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা পিছু হটার কোনো পরিকল্পনা করছে না এবং যেকোনো আগ্রাসনের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে। বিশ্বজুড়ে এখন চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে যে, এই আলটিমেটাম শেষ হওয়ার পর কোনো বড় ধরনের সামরিক সংঘাত শুরু হয় কি না।

মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
ইরানকে এক রাতেই ধ্বংস করে দেওয়ার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরাসরি হুমকির কড়া জবাব দিয়েছে তেহরান। মঙ্গলবার ইরানের সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক ভাষা ও অযৌক্তিক হুমকিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি বাহিনীর বিরুদ্ধে তাদের চলমান প্রতিরোধ অভিযান বিন্দুমাত্র ব্যাহত হবে না। তারা যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে।
উল্লেখ্য, গতকাল হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডোনাল্ড ট্রাম্প অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে বলেন, "পুরো দেশটাকে এক রাতেই শেষ করে দেওয়া সম্ভব, আর সেই রাতটা হতে পারে আগামীকালই (মঙ্গলবার রাত)।" তিনি হুশিয়ারি দেন যে, বেঁধে দেওয়া সময়সীমা বা আলটিমেটাম পেরিয়ে গেলে ইরানকে ‘প্রস্তর যুগে’ পাঠিয়ে দেওয়া হবে। ট্রাম্পের হুমকি অনুযায়ী, ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সব সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়া হতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্পের পাশে উপস্থিত ছিলেন যৌথ বাহিনী প্রধান জেনারেল ড্যান কেইন এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। ট্রাম্প যদিও দাবি করেছেন যে তিনি বিশ্বাস করেন ইরানের নেতারা ‘সৎ বিশ্বাসে’ আলোচনা করছেন, তবে তিনি একই সঙ্গে চরম সামরিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকিও বজায় রেখেছেন। ট্রাম্পের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবারই (বাংলাদেশ সময় বুধবার সকাল) সেই চূড়ান্ত রাত হতে পারে।
এই পাল্টাপাল্টি হুমকির ফলে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখন এক ভয়াবহ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। ইরানের সামরিক বাহিনী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা পিছু হটার কোনো পরিকল্পনা করছে না এবং যেকোনো আগ্রাসনের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে। বিশ্বজুড়ে এখন চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে যে, এই আলটিমেটাম শেষ হওয়ার পর কোনো বড় ধরনের সামরিক সংঘাত শুরু হয় কি না।

আপনার মতামত লিখুন