যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাকিস্তানের যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতাকে ভণ্ডামি বলে আখ্যায়িত করেছেন দেশটির প্রভাবশালী রাজনীতিক ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের (জেইউআই-এফ) প্রধান মাওলানা ফজলুর রহমান। সোমবার রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, পাকিস্তান সরকার মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের স্বার্থ রক্ষা করছে এবং তাদের তাবেদারি করছে।
ফজলুর রহমান বলেন, ফিলিস্তিনে গণহত্যার পর এখন ইসরাইলের সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আগ্রাসন চালাচ্ছে এবং লেবাননেও নির্বিচারে হামলা করছে। তার মতে, মধ্যপ্রাচ্যসহ গোটা মুসলিম বিশ্বে এই অপশক্তি অশান্তি সৃষ্টি করলেও পাকিস্তানের বর্তমান শাসকগোষ্ঠী নির্লজ্জভাবে তাদের গোলামি করে যাচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি হরমুজ প্রণালী দিয়ে পাকিস্তানের ১০টি জাহাজ চলাচলের অনুমতি পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যদি জাহাজগুলো আসেই তবে দেশে জ্বালানি তেলের দাম কেন বাড়ানো হলো এবং সেই তেল আদৌ করাচিতে খালাস হয়েছে কি না তা জাতির সামনে স্পষ্ট করতে হবে।
সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ১০টি জাহাজ পার করে আনা জাতির সঙ্গে তামাশা ছাড়া আর কিছু নয়। যেখানে ইসরাইলের পক্ষ নেওয়ায় ট্রাম্প প্রশাসন নিজ দেশেই একা হয়ে পড়ছে, সেখানে পাকিস্তান সরকার এখনও তাদের খুশি করতে ব্যস্ত বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এক্সপ্রেস নিউজ উর্দুর সূত্রমতে, মাওলানা ফজলুর রহমান প্রতিবেশী দেশ আফগানিস্তান ও ভারতের সঙ্গে সরকারের ভুলনীতির সমালোচনা করেছেন। একই সঙ্গে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে আগামী ১২ এপ্রিল পাকিস্তানজুড়ে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাকিস্তানের যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতাকে ভণ্ডামি বলে আখ্যায়িত করেছেন দেশটির প্রভাবশালী রাজনীতিক ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের (জেইউআই-এফ) প্রধান মাওলানা ফজলুর রহমান। সোমবার রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, পাকিস্তান সরকার মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের স্বার্থ রক্ষা করছে এবং তাদের তাবেদারি করছে।
ফজলুর রহমান বলেন, ফিলিস্তিনে গণহত্যার পর এখন ইসরাইলের সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আগ্রাসন চালাচ্ছে এবং লেবাননেও নির্বিচারে হামলা করছে। তার মতে, মধ্যপ্রাচ্যসহ গোটা মুসলিম বিশ্বে এই অপশক্তি অশান্তি সৃষ্টি করলেও পাকিস্তানের বর্তমান শাসকগোষ্ঠী নির্লজ্জভাবে তাদের গোলামি করে যাচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি হরমুজ প্রণালী দিয়ে পাকিস্তানের ১০টি জাহাজ চলাচলের অনুমতি পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যদি জাহাজগুলো আসেই তবে দেশে জ্বালানি তেলের দাম কেন বাড়ানো হলো এবং সেই তেল আদৌ করাচিতে খালাস হয়েছে কি না তা জাতির সামনে স্পষ্ট করতে হবে।
সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ১০টি জাহাজ পার করে আনা জাতির সঙ্গে তামাশা ছাড়া আর কিছু নয়। যেখানে ইসরাইলের পক্ষ নেওয়ায় ট্রাম্প প্রশাসন নিজ দেশেই একা হয়ে পড়ছে, সেখানে পাকিস্তান সরকার এখনও তাদের খুশি করতে ব্যস্ত বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এক্সপ্রেস নিউজ উর্দুর সূত্রমতে, মাওলানা ফজলুর রহমান প্রতিবেশী দেশ আফগানিস্তান ও ভারতের সঙ্গে সরকারের ভুলনীতির সমালোচনা করেছেন। একই সঙ্গে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে আগামী ১২ এপ্রিল পাকিস্তানজুড়ে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন