ঢাকা নিউজ

ইরানের বৃহত্তম পেট্রোকেমিক্যাল কারখানা ও আশি শতাংশ রপ্তানি ক্ষমতা ধ্বংসের দাবি ইসরাইলের



ইরানের বৃহত্তম পেট্রোকেমিক্যাল কারখানা ও আশি শতাংশ রপ্তানি ক্ষমতা ধ্বংসের দাবি ইসরাইলের
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সবচেয়ে বড় পেট্রোকেমিক্যাল কারখানা ধ্বংস করার দাবি জানিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ইসরাইলি সেনাবাহিনী পরিকল্পিতভাবে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) আয়ের উৎসগুলো ধ্বংস করে দিচ্ছে।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) একটি পৃথক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে তারা ইরানের দুটি বৃহত্তম পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সে হামলা চালিয়েছে। আইডিএফের দাবি, এই হামলার ফলে ইরানের ৮৫ শতাংশের বেশি পেট্রোকেমিক্যাল রপ্তানি প্রক্রিয়া বর্তমানে অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

ইসরাইলি বাহিনীর পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, ইরানের আসালুয়ে অঞ্চলের একটি স্থাপনা মূলত দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র শিল্পের প্রয়োজনীয় উপাদান তৈরির প্রধান কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো। সেই কৌশলগত স্থাপনাটিও এই হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল।

বর্তমানে ইরানের জ্বালানি ও শিল্প খাতের ওপর এই হামলার প্রভাব নিরূপণ করা হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ অভিযানের অংশ হিসেবে এই বড় ধরনের অর্থনৈতিক ও সামরিক আঘাত হানার দাবি করল তেল আবিব।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬


ইরানের বৃহত্তম পেট্রোকেমিক্যাল কারখানা ও আশি শতাংশ রপ্তানি ক্ষমতা ধ্বংসের দাবি ইসরাইলের

প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ইরানের সবচেয়ে বড় পেট্রোকেমিক্যাল কারখানা ধ্বংস করার দাবি জানিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ইসরাইলি সেনাবাহিনী পরিকল্পিতভাবে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) আয়ের উৎসগুলো ধ্বংস করে দিচ্ছে।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) একটি পৃথক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে তারা ইরানের দুটি বৃহত্তম পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সে হামলা চালিয়েছে। আইডিএফের দাবি, এই হামলার ফলে ইরানের ৮৫ শতাংশের বেশি পেট্রোকেমিক্যাল রপ্তানি প্রক্রিয়া বর্তমানে অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

ইসরাইলি বাহিনীর পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, ইরানের আসালুয়ে অঞ্চলের একটি স্থাপনা মূলত দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র শিল্পের প্রয়োজনীয় উপাদান তৈরির প্রধান কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো। সেই কৌশলগত স্থাপনাটিও এই হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল।

বর্তমানে ইরানের জ্বালানি ও শিল্প খাতের ওপর এই হামলার প্রভাব নিরূপণ করা হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ অভিযানের অংশ হিসেবে এই বড় ধরনের অর্থনৈতিক ও সামরিক আঘাত হানার দাবি করল তেল আবিব।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ