মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ক্ষমতার পদ থেকে অপসারণ করার জন্য দেশটির আইনপ্রণেতারা তার প্রশাসনের সদস্যদের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন। সংবিধানের ২৫তম সংশোধনী প্রয়োগের মাধ্যমে তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার এই দাবি ক্রমেই জোরালো হচ্ছে, যা মূলত কোনো প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালনে অক্ষমতার ক্ষেত্রে ক্ষমতা হস্তান্তরের আইনি ব্যবস্থা।
অ্যারিজোনার কংগ্রেসওম্যান ইয়াসমিন আনসারি এই দাবিতে যোগ দিয়ে জানিয়েছেন, ট্রাম্প একটি ভয়াবহ ও অবৈধ যুদ্ধকে উসকে দিচ্ছেন এবং বেসামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করে যুদ্ধাপরাধের হুমকি দিচ্ছেন। তার মতে, গত ৪৮ ঘণ্টায় ট্রাম্পের দেওয়া বক্তব্য ও অবস্থান সমস্ত সীমা ছাড়িয়ে গেছে।
একইভাবে মিনেসোটার কংগ্রেসওম্যান ইলহান ওমর ইরানে বেসামরিক স্থাপনায় হামলার হুমকির তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ট্রাম্পকে 'ভারসাম্যহীন উন্মাদ' হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি অবিলম্বে তাকে ইমপিচ ও অপসারণের দাবি তুলেছেন। নিউ মেক্সিকোর কংগ্রেসওম্যান মেলানি স্ট্যান্সবারিও কংগ্রেস ও মন্ত্রিসভাকে এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
ডেমোক্র্যাটিক সিনেট সদস্য ক্রিস মারফি ট্রাম্পের বর্তমান আচরণকে 'সম্পূর্ণ অস্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণহীন' বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ট্রাম্প আরও হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানির কারণ হতে পারেন। এমনকি সাবেক রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান জো ওয়ালশও ট্রাম্পকে দেশ ও বিশ্বের জন্য কলঙ্ক হিসেবে আখ্যা দিয়ে এই সংশোধনী প্রয়োগের দাবি জানিয়েছেন।
আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন প্রশাসনের ভেতরে ও বাইরে এই দাবি নিয়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত ও বক্তব্যকে কেন্দ্র করে আইনপ্রণেতারা তাকে পদচ্যুত করতে সাংবিধানিক এই পথটিকেই এখন প্রধান বিকল্প হিসেবে দেখছেন।

মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ক্ষমতার পদ থেকে অপসারণ করার জন্য দেশটির আইনপ্রণেতারা তার প্রশাসনের সদস্যদের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন। সংবিধানের ২৫তম সংশোধনী প্রয়োগের মাধ্যমে তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার এই দাবি ক্রমেই জোরালো হচ্ছে, যা মূলত কোনো প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালনে অক্ষমতার ক্ষেত্রে ক্ষমতা হস্তান্তরের আইনি ব্যবস্থা।
অ্যারিজোনার কংগ্রেসওম্যান ইয়াসমিন আনসারি এই দাবিতে যোগ দিয়ে জানিয়েছেন, ট্রাম্প একটি ভয়াবহ ও অবৈধ যুদ্ধকে উসকে দিচ্ছেন এবং বেসামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করে যুদ্ধাপরাধের হুমকি দিচ্ছেন। তার মতে, গত ৪৮ ঘণ্টায় ট্রাম্পের দেওয়া বক্তব্য ও অবস্থান সমস্ত সীমা ছাড়িয়ে গেছে।
একইভাবে মিনেসোটার কংগ্রেসওম্যান ইলহান ওমর ইরানে বেসামরিক স্থাপনায় হামলার হুমকির তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ট্রাম্পকে 'ভারসাম্যহীন উন্মাদ' হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি অবিলম্বে তাকে ইমপিচ ও অপসারণের দাবি তুলেছেন। নিউ মেক্সিকোর কংগ্রেসওম্যান মেলানি স্ট্যান্সবারিও কংগ্রেস ও মন্ত্রিসভাকে এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
ডেমোক্র্যাটিক সিনেট সদস্য ক্রিস মারফি ট্রাম্পের বর্তমান আচরণকে 'সম্পূর্ণ অস্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণহীন' বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ট্রাম্প আরও হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানির কারণ হতে পারেন। এমনকি সাবেক রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান জো ওয়ালশও ট্রাম্পকে দেশ ও বিশ্বের জন্য কলঙ্ক হিসেবে আখ্যা দিয়ে এই সংশোধনী প্রয়োগের দাবি জানিয়েছেন।
আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন প্রশাসনের ভেতরে ও বাইরে এই দাবি নিয়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত ও বক্তব্যকে কেন্দ্র করে আইনপ্রণেতারা তাকে পদচ্যুত করতে সাংবিধানিক এই পথটিকেই এখন প্রধান বিকল্প হিসেবে দেখছেন।

আপনার মতামত লিখুন