ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে বড় ধরনের পতন ঘটেছে এবং বিপরীতে শেয়ারবাজারে ইতিবাচক উত্থান দেখা গেছে। নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাতে এই দরপতনের খবর পাওয়া যায়, যেখানে মার্কিন অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ১৬ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৪.৫৯ ডলারে নেমে এসেছে। একই সময়ে ব্রেন্ট ক্রুডের দামও প্রায় ১৫ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ৯২.৩৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
এই দরপতনের মূল কারণ হিসেবে হরমুজ প্রণালি অবিলম্বে পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়টি কাজ করেছে। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস প্রতিদিন এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়েই চলাচল করে। যুদ্ধবিরতির সংবাদের কয়েক মিনিটের মধ্যেই বাজারে এর ব্যাপক প্রভাব পড়ে; তেলের দাম কমার পাশাপাশি বন্ডের দাম বেড়েছে এবং মার্কিন স্টকগুলোর দাম লাফিয়ে উঠেছে। বিনিয়োগকারীরা একে কয়েক সপ্তাহের অস্থিরতার পর তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার সংকেত হিসেবে দেখছেন।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা শেষ হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে এই ঘোষণা আসায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। এর আগে ইরানের তেলক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে তেহরান কর্তৃক হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিতে তেলের বাজারে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। তবে বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, দাম কমলেও তেলের বর্তমান দর এখনো গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকের তুলনায় অনেক বেশি অবস্থানে রয়েছে।

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে বড় ধরনের পতন ঘটেছে এবং বিপরীতে শেয়ারবাজারে ইতিবাচক উত্থান দেখা গেছে। নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাতে এই দরপতনের খবর পাওয়া যায়, যেখানে মার্কিন অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ১৬ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৪.৫৯ ডলারে নেমে এসেছে। একই সময়ে ব্রেন্ট ক্রুডের দামও প্রায় ১৫ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ৯২.৩৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
এই দরপতনের মূল কারণ হিসেবে হরমুজ প্রণালি অবিলম্বে পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়টি কাজ করেছে। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস প্রতিদিন এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়েই চলাচল করে। যুদ্ধবিরতির সংবাদের কয়েক মিনিটের মধ্যেই বাজারে এর ব্যাপক প্রভাব পড়ে; তেলের দাম কমার পাশাপাশি বন্ডের দাম বেড়েছে এবং মার্কিন স্টকগুলোর দাম লাফিয়ে উঠেছে। বিনিয়োগকারীরা একে কয়েক সপ্তাহের অস্থিরতার পর তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার সংকেত হিসেবে দেখছেন।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা শেষ হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে এই ঘোষণা আসায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। এর আগে ইরানের তেলক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে তেহরান কর্তৃক হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিতে তেলের বাজারে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। তবে বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, দাম কমলেও তেলের বর্তমান দর এখনো গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকের তুলনায় অনেক বেশি অবস্থানে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন