ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত নিরসনে বড় ধরনের অগ্রগতি দেখা দিয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা আইআরআইবি জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের দেওয়া ১০ দফা প্রস্তাব ‘নীতিগতভাবে’ মেনে নিয়েছেন। ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল এক বিবৃতিতে এই প্রস্তাবকে একটি বৃহৎ চুক্তির আলোচনার কাঠামো হিসেবে উল্লেখ করেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও এই প্রস্তাবকে আলোচনার জন্য একটি ‘কাজ চলার মতো ভিত্তি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
ইরানের দেওয়া এই ১০ দফা প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে দেশটির বিরুদ্ধে আর কোনো আগ্রাসন না চালানোর নিশ্চয়তা এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকারের স্বীকৃতি। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা, সকল প্রাথমিক ও দ্বিতীয় স্তরের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার ইরানবিরোধী প্রস্তাবগুলো বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া যুদ্ধে ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ প্রদান, অঞ্চলটি থেকে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহার এবং লেবাননসহ সকল রণাঙ্গনে সংঘাত বন্ধের শর্তও এই প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তবে ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, এই আলোচনার অর্থ যুদ্ধ পুরোপুরি শেষ হওয়া নয়। প্রস্তাবিত শর্তগুলো পূরণ এবং বিস্তারিত বিষয় চূড়ান্ত হওয়ার পরেই কেবল একটি স্থায়ী চুক্তি সম্ভব হবে। আলোচনা চলাকালীন সময়ে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় সাপেক্ষে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আগামী শুক্রবার থেকে ইসলামাবাদের এই বিশেষ আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে দুই সপ্তাহব্যাপী এই সংলাপ চলবে এবং উভয় পক্ষ সম্মত হলে আলোচনার সময়সীমা আরও বাড়ানো হতে পারে। ওয়াশিংটন ইতিমধ্যে দুই সপ্তাহের জন্য ইরানে হামলা স্থগিত রাখার ঘোষণা দেওয়ায় এই সংলাপ প্রক্রিয়ায় একটি ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত নিরসনে বড় ধরনের অগ্রগতি দেখা দিয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা আইআরআইবি জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের দেওয়া ১০ দফা প্রস্তাব ‘নীতিগতভাবে’ মেনে নিয়েছেন। ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল এক বিবৃতিতে এই প্রস্তাবকে একটি বৃহৎ চুক্তির আলোচনার কাঠামো হিসেবে উল্লেখ করেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও এই প্রস্তাবকে আলোচনার জন্য একটি ‘কাজ চলার মতো ভিত্তি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
ইরানের দেওয়া এই ১০ দফা প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে দেশটির বিরুদ্ধে আর কোনো আগ্রাসন না চালানোর নিশ্চয়তা এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকারের স্বীকৃতি। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা, সকল প্রাথমিক ও দ্বিতীয় স্তরের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার ইরানবিরোধী প্রস্তাবগুলো বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া যুদ্ধে ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ প্রদান, অঞ্চলটি থেকে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহার এবং লেবাননসহ সকল রণাঙ্গনে সংঘাত বন্ধের শর্তও এই প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তবে ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, এই আলোচনার অর্থ যুদ্ধ পুরোপুরি শেষ হওয়া নয়। প্রস্তাবিত শর্তগুলো পূরণ এবং বিস্তারিত বিষয় চূড়ান্ত হওয়ার পরেই কেবল একটি স্থায়ী চুক্তি সম্ভব হবে। আলোচনা চলাকালীন সময়ে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় সাপেক্ষে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আগামী শুক্রবার থেকে ইসলামাবাদের এই বিশেষ আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে দুই সপ্তাহব্যাপী এই সংলাপ চলবে এবং উভয় পক্ষ সম্মত হলে আলোচনার সময়সীমা আরও বাড়ানো হতে পারে। ওয়াশিংটন ইতিমধ্যে দুই সপ্তাহের জন্য ইরানে হামলা স্থগিত রাখার ঘোষণা দেওয়ায় এই সংলাপ প্রক্রিয়ায় একটি ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন