দক্ষিণ লেবাননে চলমান স্থল অভিযান আরও শক্তিশালী করতে নতুন করে সৈন্য পাঠিয়েছে ইসরাইল। মঙ্গলবার ইসরাইলি সেনাবাহিনীর ৯৮তম ডিভিশনটি ওই অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে। আনাদোলু এজেন্সির তথ্যমতে, ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি করতেই তেল আবিব এই অতিরিক্ত ডিভিশন মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে লেবাননের অভ্যন্তরে ইসরাইলি বাহিনীর এই অনুপ্রবেশের পরিধি ঠিক কতখানি বাড়বে, সে সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
বর্তমানে ওই অঞ্চলে ৯১তম, ৩৬তম, ১৪৬তম এবং ১৬২তম ডিভিশন আগে থেকেই সক্রিয় ছিল। নতুন এই ৯৮তম ডিভিশনটি যুক্ত হওয়ায় দক্ষিণ লেবাননে এখন ইসরাইলি বাহিনীর মোট পাঁচটি ডিভিশন অবস্থান করছে। সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো সামনের প্রতিরক্ষা লাইন আরও শক্তিশালী করা এবং ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলীয় বাসিন্দাদের জন্য বিদ্যমান নিরাপত্তা হুমকিগুলো অপসারণ করা।
ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম ইয়েদিওথ আহরোনোথ জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের পাহাড়ি ও ঘনবসতিপূর্ণ ভূখণ্ড গাজার চেয়েও বেশি জটিল, যা ইসরাইলি সেনাদের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই অভিযানের কৌশলগত উদ্দেশ্য হলো হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের লিতানি নদীর উত্তর দিকে সরিয়ে দেওয়া এবং সীমান্তবর্তী গ্রামগুলো ধ্বংস করে সেগুলোকে নিজেদের সামরিক কাজে ব্যবহার করা।
সেনাবাহিনী বর্তমানে রাজনৈতিক নেতৃত্বের কাছে একটি নতুন অভিযান পরিকল্পনা উপস্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই পরিকল্পনায় সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা এবং ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরও লেবাননে সামরিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রস্তাব রয়েছে। যদিও ইসরাইল এটিকে ‘নিরাপত্তা বলয়’ সৃষ্টির প্রচেষ্টা বলছে, তবে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এই কৌশলটি দখলদারিত্ব হিসেবেই বিবেচিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
দক্ষিণ লেবাননে চলমান স্থল অভিযান আরও শক্তিশালী করতে নতুন করে সৈন্য পাঠিয়েছে ইসরাইল। মঙ্গলবার ইসরাইলি সেনাবাহিনীর ৯৮তম ডিভিশনটি ওই অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে। আনাদোলু এজেন্সির তথ্যমতে, ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি করতেই তেল আবিব এই অতিরিক্ত ডিভিশন মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে লেবাননের অভ্যন্তরে ইসরাইলি বাহিনীর এই অনুপ্রবেশের পরিধি ঠিক কতখানি বাড়বে, সে সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
বর্তমানে ওই অঞ্চলে ৯১তম, ৩৬তম, ১৪৬তম এবং ১৬২তম ডিভিশন আগে থেকেই সক্রিয় ছিল। নতুন এই ৯৮তম ডিভিশনটি যুক্ত হওয়ায় দক্ষিণ লেবাননে এখন ইসরাইলি বাহিনীর মোট পাঁচটি ডিভিশন অবস্থান করছে। সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো সামনের প্রতিরক্ষা লাইন আরও শক্তিশালী করা এবং ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলীয় বাসিন্দাদের জন্য বিদ্যমান নিরাপত্তা হুমকিগুলো অপসারণ করা।
ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম ইয়েদিওথ আহরোনোথ জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের পাহাড়ি ও ঘনবসতিপূর্ণ ভূখণ্ড গাজার চেয়েও বেশি জটিল, যা ইসরাইলি সেনাদের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই অভিযানের কৌশলগত উদ্দেশ্য হলো হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের লিতানি নদীর উত্তর দিকে সরিয়ে দেওয়া এবং সীমান্তবর্তী গ্রামগুলো ধ্বংস করে সেগুলোকে নিজেদের সামরিক কাজে ব্যবহার করা।
সেনাবাহিনী বর্তমানে রাজনৈতিক নেতৃত্বের কাছে একটি নতুন অভিযান পরিকল্পনা উপস্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই পরিকল্পনায় সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা এবং ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরও লেবাননে সামরিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রস্তাব রয়েছে। যদিও ইসরাইল এটিকে ‘নিরাপত্তা বলয়’ সৃষ্টির প্রচেষ্টা বলছে, তবে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এই কৌশলটি দখলদারিত্ব হিসেবেই বিবেচিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন