যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তানে অনুষ্ঠেয় শান্তি বৈঠকের আগে যুদ্ধবিরতি কাঠামো চূড়ান্ত হওয়া সাপেক্ষে আগামীকাল বৃহস্পতিবার বা পরদিন শুক্রবারের মধ্যে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে পারে ইরান। রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। যুদ্ধকালীন সময়ে এই নৌপথ বন্ধ থাকায় বিশ্বজুড়ে তেল ও গ্যাসের বাজারে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল, এই সিদ্ধান্তের ফলে তা নিরসন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
যুদ্ধবিরতি সমঝোতার অংশ হিসেবে তেহরান বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচলের অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে। ইরানের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করেই এই নৌপথ পুনরায় সচল করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। সমুদ্রপথ পর্যবেক্ষণের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল আশঙ্কাজনকভাবে কমে গিয়েছিল, যা বর্তমানে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় মাত্র পাঁচ শতাংশে নেমে এসেছে।
তবে আজ থেকেই এই প্রণালি দিয়ে শর্তসাপেক্ষে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যার বিনিময়ে প্রতিটি জাহাজকে মোটা অঙ্কের 'ট্রানজিট ফি' প্রদান করতে হবে। ইরান এবং ওমান যৌথভাবে এই ফি আদায় করবে। জানা গেছে, ইরান প্রতিটি জাহাজের কাছ থেকে ২০ লাখ ডলার পর্যন্ত ফি নির্ধারণ করেছে, যদিও এখন পর্যন্ত কোনো জাহাজ মালিক এই ফি প্রদান করেছেন কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এর আগে পাকিস্তান ও ভারত তাদের নিজস্ব পতাকাবাহী জাহাজের নিরাপদ যাতায়াতের জন্য ইরানের সঙ্গে পৃথক চুক্তি সম্পন্ন করেছিল। আন্তর্জাতিক এই নৌপথটি পুনরায় উন্মুক্ত হওয়াকে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রশমন এবং বিশ্ব অর্থনীতির স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তানে অনুষ্ঠেয় শান্তি বৈঠকের আগে যুদ্ধবিরতি কাঠামো চূড়ান্ত হওয়া সাপেক্ষে আগামীকাল বৃহস্পতিবার বা পরদিন শুক্রবারের মধ্যে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে পারে ইরান। রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। যুদ্ধকালীন সময়ে এই নৌপথ বন্ধ থাকায় বিশ্বজুড়ে তেল ও গ্যাসের বাজারে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল, এই সিদ্ধান্তের ফলে তা নিরসন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
যুদ্ধবিরতি সমঝোতার অংশ হিসেবে তেহরান বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচলের অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে। ইরানের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করেই এই নৌপথ পুনরায় সচল করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। সমুদ্রপথ পর্যবেক্ষণের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল আশঙ্কাজনকভাবে কমে গিয়েছিল, যা বর্তমানে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় মাত্র পাঁচ শতাংশে নেমে এসেছে।
তবে আজ থেকেই এই প্রণালি দিয়ে শর্তসাপেক্ষে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যার বিনিময়ে প্রতিটি জাহাজকে মোটা অঙ্কের 'ট্রানজিট ফি' প্রদান করতে হবে। ইরান এবং ওমান যৌথভাবে এই ফি আদায় করবে। জানা গেছে, ইরান প্রতিটি জাহাজের কাছ থেকে ২০ লাখ ডলার পর্যন্ত ফি নির্ধারণ করেছে, যদিও এখন পর্যন্ত কোনো জাহাজ মালিক এই ফি প্রদান করেছেন কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এর আগে পাকিস্তান ও ভারত তাদের নিজস্ব পতাকাবাহী জাহাজের নিরাপদ যাতায়াতের জন্য ইরানের সঙ্গে পৃথক চুক্তি সম্পন্ন করেছিল। আন্তর্জাতিক এই নৌপথটি পুনরায় উন্মুক্ত হওয়াকে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রশমন এবং বিশ্ব অর্থনীতির স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন