দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালিতে অবস্থানরত বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর জট নিরসনে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আন্তর্জাতিক জলসীমায় জাহাজগুলোর নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার টাইমস অব ইসরাইল এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ট্রাম্প তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ এক বার্তায় দাবি করেন, ইরান যুদ্ধের কারণে ক্লান্ত হয়েই এই যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে হরমুজ প্রণালিতে সৃষ্ট নৌ-জট কাটাতে যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে। তবে এই সহায়তার প্রক্রিয়া ঠিক কী ধরনের হবে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রদান করেননি।
মঙ্গলবার রাতে শর্তসাপেক্ষ ১৪ দিনের এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরপরই আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমতে শুরু করেছে। ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতি তখনই পূর্ণাঙ্গভাবে সফল হবে, যখন ইরান আন্তর্জাতিক জাহাজগুলোকে কোনো বাধা ছাড়াই ‘সম্পূর্ণ ও নিরাপদভাবে’ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার সুযোগ দেবে।
দীর্ঘদিনের উত্তেজনার পর এই নৌপথ সচল হওয়াকে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা এবং বিশ্ব অর্থনীতির স্থিতিশীলতার জন্য একটি ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার এই সমঝোতা জাহাজ চলাচলের দীর্ঘসূত্রতা কাটিয়ে উঠতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালিতে অবস্থানরত বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর জট নিরসনে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আন্তর্জাতিক জলসীমায় জাহাজগুলোর নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার টাইমস অব ইসরাইল এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ট্রাম্প তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ এক বার্তায় দাবি করেন, ইরান যুদ্ধের কারণে ক্লান্ত হয়েই এই যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে হরমুজ প্রণালিতে সৃষ্ট নৌ-জট কাটাতে যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে। তবে এই সহায়তার প্রক্রিয়া ঠিক কী ধরনের হবে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রদান করেননি।
মঙ্গলবার রাতে শর্তসাপেক্ষ ১৪ দিনের এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরপরই আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমতে শুরু করেছে। ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতি তখনই পূর্ণাঙ্গভাবে সফল হবে, যখন ইরান আন্তর্জাতিক জাহাজগুলোকে কোনো বাধা ছাড়াই ‘সম্পূর্ণ ও নিরাপদভাবে’ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার সুযোগ দেবে।
দীর্ঘদিনের উত্তেজনার পর এই নৌপথ সচল হওয়াকে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা এবং বিশ্ব অর্থনীতির স্থিতিশীলতার জন্য একটি ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার এই সমঝোতা জাহাজ চলাচলের দীর্ঘসূত্রতা কাটিয়ে উঠতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন