অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ জানিয়েছেন যে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে হওয়া সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি লেবাননের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হওয়া উচিত বলে তার সরকার দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে। ব্রিসবেনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই যুদ্ধবিরতিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বর্ণনা করেন, যদিও একে একটি 'ভঙ্গুর শান্তি' বলে উল্লেখ করে একে স্থায়ী চুক্তিতে রূপান্তরের ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী আলবানিজ লেবাননের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সেখানকার অস্থিতিশীলতার প্রভাব শুধু ওই দেশেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং বিশ্বজুড়েই ছড়িয়ে পড়ছে। লেবানন নিয়ে অনেক অস্ট্রেলীয় নাগরিকও উদ্বিগ্ন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তবে অস্ট্রেলিয়া সরকারের এই অবস্থানের সমালোচনা করেছেন সাংবাদিক জন ফ্রান। তিনি লেবাননের বেসামরিক নাগরিকদের ওপর সাম্প্রতিক প্রাণহানির ঘটনায় অস্ট্রেলিয়া সরকারের প্রতিক্রিয়াকে 'নির্লিপ্ত' বলে অভিহিত করেছেন। তার মতে, পশ্চিমা বিশ্বের কোনো দেশের সঙ্গে এমন অমানবিক ঘটনা ঘটলে প্রতিক্রিয়ার ধরন ভিন্ন হতো।
এর আগে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং লেবাননের মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানালেও ইসরাইলের হামলার সরাসরি কোনো নিন্দা করেননি। একইভাবে প্রধানমন্ত্রী আলবানিজ যুদ্ধবিরতিতে লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করার কথা বললেও এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো পদক্ষেপ বা জোরালো অবস্থানের কথা জানাননি।
জন ফ্রান আরও মন্তব্য করেছেন যে, লেবানন-অস্ট্রেলিয়ান হিসেবে নিজ দেশের ধ্বংসযজ্ঞের সামনে বিশ্বনেতাদের এবং গণমাধ্যমের এই নির্লিপ্ততা অত্যন্ত কষ্টদায়ক। তিনি মনে করেন, লেবাননকে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানানোই এখন অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ন্যূনতম দায়িত্ব।

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ জানিয়েছেন যে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে হওয়া সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি লেবাননের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হওয়া উচিত বলে তার সরকার দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে। ব্রিসবেনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই যুদ্ধবিরতিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বর্ণনা করেন, যদিও একে একটি 'ভঙ্গুর শান্তি' বলে উল্লেখ করে একে স্থায়ী চুক্তিতে রূপান্তরের ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী আলবানিজ লেবাননের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সেখানকার অস্থিতিশীলতার প্রভাব শুধু ওই দেশেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং বিশ্বজুড়েই ছড়িয়ে পড়ছে। লেবানন নিয়ে অনেক অস্ট্রেলীয় নাগরিকও উদ্বিগ্ন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তবে অস্ট্রেলিয়া সরকারের এই অবস্থানের সমালোচনা করেছেন সাংবাদিক জন ফ্রান। তিনি লেবাননের বেসামরিক নাগরিকদের ওপর সাম্প্রতিক প্রাণহানির ঘটনায় অস্ট্রেলিয়া সরকারের প্রতিক্রিয়াকে 'নির্লিপ্ত' বলে অভিহিত করেছেন। তার মতে, পশ্চিমা বিশ্বের কোনো দেশের সঙ্গে এমন অমানবিক ঘটনা ঘটলে প্রতিক্রিয়ার ধরন ভিন্ন হতো।
এর আগে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং লেবাননের মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানালেও ইসরাইলের হামলার সরাসরি কোনো নিন্দা করেননি। একইভাবে প্রধানমন্ত্রী আলবানিজ যুদ্ধবিরতিতে লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করার কথা বললেও এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো পদক্ষেপ বা জোরালো অবস্থানের কথা জানাননি।
জন ফ্রান আরও মন্তব্য করেছেন যে, লেবানন-অস্ট্রেলিয়ান হিসেবে নিজ দেশের ধ্বংসযজ্ঞের সামনে বিশ্বনেতাদের এবং গণমাধ্যমের এই নির্লিপ্ততা অত্যন্ত কষ্টদায়ক। তিনি মনে করেন, লেবাননকে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানানোই এখন অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ন্যূনতম দায়িত্ব।

আপনার মতামত লিখুন