ইরানের বিরুদ্ধে ৪০ দিনব্যাপী যৌথ আগ্রাসন চলাকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত হঠাৎ যুদ্ধবিরতিকে একটি বড় 'ভুল' হিসেবে আখ্যা দিয়েছে ইসরাইল। তেহরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী শান্তিচুক্তির লক্ষ্যে পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিশরের মধ্যস্থতায় যখন আলোচনা চলছে, ঠিক তখনই এই কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাল দেশটি। ইসরাইলের ডায়াসপোরা বিষয়ক মন্ত্রী এবং ক্ষমতাসীন লিকুদ পার্টির প্রভাবশালী সদস্য আমিচাই চিকলি স্থানীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে এই যুদ্ধবিরতির বিরোধিতা করেন। যুদ্ধবিরতি ঘোষণার ৪৮ ঘণ্টা পার হওয়ার আগেই তিনি এই পদক্ষেপকে 'মিসটেক' বা ভুল বলে মন্তব্য করেন। ইসরাইলের ১০৩এফএম রেডিওকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আমিচাই চিকলি বলেন, এই সময়ে যুদ্ধবিরতিতে যাওয়া মোটেও সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল না। তার মতে, জাপানি সাম্রাজ্য বা নাৎসি জার্মানির মতো দেশগুলোকে যেভাবে হাঁটু গেড়ে বসতে বাধ্য করা হয়েছিল, এক্ষেত্রেও তেমন কঠোর হওয়া প্রয়োজন ছিল। তিনি এই শান্তি আলোচনার স্থায়িত্ব নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে জানান, বর্তমান যুদ্ধবিরতিটি টিকে থাকার সম্ভাবনা মাত্র ৫০ শতাংশ। উল্লেখ্য, এমন এক সময়ে এই মন্তব্য এলো যখন মধ্যস্থতাকারীরা একটি দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের বিরুদ্ধে ৪০ দিনব্যাপী যৌথ আগ্রাসন চলাকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত হঠাৎ যুদ্ধবিরতিকে একটি বড় 'ভুল' হিসেবে আখ্যা দিয়েছে ইসরাইল। তেহরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী শান্তিচুক্তির লক্ষ্যে পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিশরের মধ্যস্থতায় যখন আলোচনা চলছে, ঠিক তখনই এই কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাল দেশটি। ইসরাইলের ডায়াসপোরা বিষয়ক মন্ত্রী এবং ক্ষমতাসীন লিকুদ পার্টির প্রভাবশালী সদস্য আমিচাই চিকলি স্থানীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে এই যুদ্ধবিরতির বিরোধিতা করেন। যুদ্ধবিরতি ঘোষণার ৪৮ ঘণ্টা পার হওয়ার আগেই তিনি এই পদক্ষেপকে 'মিসটেক' বা ভুল বলে মন্তব্য করেন। ইসরাইলের ১০৩এফএম রেডিওকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আমিচাই চিকলি বলেন, এই সময়ে যুদ্ধবিরতিতে যাওয়া মোটেও সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল না। তার মতে, জাপানি সাম্রাজ্য বা নাৎসি জার্মানির মতো দেশগুলোকে যেভাবে হাঁটু গেড়ে বসতে বাধ্য করা হয়েছিল, এক্ষেত্রেও তেমন কঠোর হওয়া প্রয়োজন ছিল। তিনি এই শান্তি আলোচনার স্থায়িত্ব নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে জানান, বর্তমান যুদ্ধবিরতিটি টিকে থাকার সম্ভাবনা মাত্র ৫০ শতাংশ। উল্লেখ্য, এমন এক সময়ে এই মন্তব্য এলো যখন মধ্যস্থতাকারীরা একটি দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

আপনার মতামত লিখুন