যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত যুদ্ধবিরতির পর প্রথমবার মুখ খুলেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, কোনো পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলে ইরান তার বিপরীতে অত্যন্ত দৃঢ় এবং কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখাবে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান দক্ষিণ ইরানের লাভান তেল শোধনাগারে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া হামলার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেছেন। এই হামলাকে চুক্তির পর একাধিক যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অন্যতম উদাহরণ হিসেবে বর্ণনা করেছে ইরানি প্রশাসন।
প্রেসিডেন্টের দেওয়া বিবৃতিতে পুনরায় জোর দিয়ে বলা হয়েছে যে, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিন্দুমাত্র ছাড় না দিয়ে কঠোর জবাব প্রদান করবে। একই সাথে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস (আইআরজিসি) হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে শত্রুপক্ষকে চরম পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।
অন্যদিকে, ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য মোহসেন রেজায়ি জানিয়েছেন, ইরান পূর্ণ শক্তি নিয়ে হিজবুল্লাহর পাশে রয়েছে। তিনি স্পষ্টভাবে সতর্ক করে দেন যে, চলমান যুদ্ধবিরতি যদি শেষ পর্যন্ত ভেঙে পড়ে, তবে এর সম্পূর্ণ দায়ভার যুক্তরাষ্ট্রকেই বহন করতে হবে।

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত যুদ্ধবিরতির পর প্রথমবার মুখ খুলেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, কোনো পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলে ইরান তার বিপরীতে অত্যন্ত দৃঢ় এবং কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখাবে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান দক্ষিণ ইরানের লাভান তেল শোধনাগারে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া হামলার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেছেন। এই হামলাকে চুক্তির পর একাধিক যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অন্যতম উদাহরণ হিসেবে বর্ণনা করেছে ইরানি প্রশাসন।
প্রেসিডেন্টের দেওয়া বিবৃতিতে পুনরায় জোর দিয়ে বলা হয়েছে যে, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিন্দুমাত্র ছাড় না দিয়ে কঠোর জবাব প্রদান করবে। একই সাথে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস (আইআরজিসি) হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে শত্রুপক্ষকে চরম পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।
অন্যদিকে, ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য মোহসেন রেজায়ি জানিয়েছেন, ইরান পূর্ণ শক্তি নিয়ে হিজবুল্লাহর পাশে রয়েছে। তিনি স্পষ্টভাবে সতর্ক করে দেন যে, চলমান যুদ্ধবিরতি যদি শেষ পর্যন্ত ভেঙে পড়ে, তবে এর সম্পূর্ণ দায়ভার যুক্তরাষ্ট্রকেই বহন করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন