ঢাকা নিউজ

ইরানে ইসরাইলি পাইলটকে মারধরের ভিডিওটি ভুয়া: ফ্যাক্টচেক প্রতিবেদনে চাঞ্চল্যকর তথ্য



ইরানে ইসরাইলি পাইলটকে মারধরের ভিডিওটি ভুয়া: ফ্যাক্টচেক প্রতিবেদনে চাঞ্চল্যকর তথ্য
ছবি : সংগৃহীত

ইরানে হামলা চালাতে গিয়ে এক ইসরাইলি পাইলট স্থানীয় জনগণের মারধরের শিকার হয়েছেন দাবি করে ইন্টারনেটে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লেও সেটি সম্পূর্ণ ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়েছে। বাংলাদেশভিত্তিক ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান রিউমর স্ক্যানার এক অনুসন্ধানের পর জানিয়েছে, ভিডিওটির সাথে ইসরাইলি পাইলট বা ইরানের কোনো সম্পর্ক নেই। প্রকৃতপক্ষে এটি গত ১৭ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিস সিটি হলের সামনে ঘটে যাওয়া একটি ভিন্ন ঘটনার ভিডিও।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ভিডিওটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতির সমর্থনে আয়োজিত একটি ছোট বিক্ষোভ ও তার বিপরীতে বিশাল এক পাল্টা বিক্ষোভের সময়কার দৃশ্য। মার্কিন সাংবাদিক স্টেফানি কিথের ধারণকৃত ভিডিও এবং ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঐদিন ডানপন্থি ইনফ্লুয়েন্সার জেক ল্যাং পাল্টা বিক্ষোভকারীদের বাধার মুখে পড়েন এবং সেখান থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হন।

বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, ইরানি জনগণ কর্তৃক কোনো ইসরাইলি পাইলটকে মারধরের ঘটনার কোনো ভিত্তি নেই। ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি প্রেক্ষাপটের এবং ভিন্ন দেশের, যা বর্তমানে ইন্টারনেটে ভুল তথ্যের ভিত্তিতে প্রচার করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কি-ওয়ার্ড সার্চ করেও এমন কোনো দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬


ইরানে ইসরাইলি পাইলটকে মারধরের ভিডিওটি ভুয়া: ফ্যাক্টচেক প্রতিবেদনে চাঞ্চল্যকর তথ্য

প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ইরানে হামলা চালাতে গিয়ে এক ইসরাইলি পাইলট স্থানীয় জনগণের মারধরের শিকার হয়েছেন দাবি করে ইন্টারনেটে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লেও সেটি সম্পূর্ণ ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়েছে। বাংলাদেশভিত্তিক ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান রিউমর স্ক্যানার এক অনুসন্ধানের পর জানিয়েছে, ভিডিওটির সাথে ইসরাইলি পাইলট বা ইরানের কোনো সম্পর্ক নেই। প্রকৃতপক্ষে এটি গত ১৭ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিস সিটি হলের সামনে ঘটে যাওয়া একটি ভিন্ন ঘটনার ভিডিও।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ভিডিওটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতির সমর্থনে আয়োজিত একটি ছোট বিক্ষোভ ও তার বিপরীতে বিশাল এক পাল্টা বিক্ষোভের সময়কার দৃশ্য। মার্কিন সাংবাদিক স্টেফানি কিথের ধারণকৃত ভিডিও এবং ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঐদিন ডানপন্থি ইনফ্লুয়েন্সার জেক ল্যাং পাল্টা বিক্ষোভকারীদের বাধার মুখে পড়েন এবং সেখান থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হন।

বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, ইরানি জনগণ কর্তৃক কোনো ইসরাইলি পাইলটকে মারধরের ঘটনার কোনো ভিত্তি নেই। ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি প্রেক্ষাপটের এবং ভিন্ন দেশের, যা বর্তমানে ইন্টারনেটে ভুল তথ্যের ভিত্তিতে প্রচার করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কি-ওয়ার্ড সার্চ করেও এমন কোনো দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ