ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দুই সপ্তাহের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘নিরঙ্কুশ বিজয়’ হিসেবে দাবি করলেও বিশ্লেষকরা একে ইরানের কৌশলগত সাফল্য হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহণ পথ হরমুজ প্রণালির ওপর তেহরানের নিরঙ্কুশ নিয়ন্ত্রণ বিশ্ব অর্থনীতিতে তাদের প্রভাবকে সুসংহত করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় ধরনের সামরিক শক্তি ছাড়াই কেবল এই জলপথের ওপর কর্তৃত্ব বজায় রেখে ইরান বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটানোর ক্ষমতা রাখে।
যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ১৫-২০ শতাংশ এবং ইউরোপে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। তবে ক্যাপিটাল ইকোনমিকস ও অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে, হরমুজ প্রণালির ওপর কর্তৃত্বের মাধ্যমে ইরান মূলত একটি কার্যকর অর্থনৈতিক যুদ্ধ পরিচালনা করছে। এই নিয়ন্ত্রণের ফলে ইরান বর্তমানে চড়া দামে তেল বিক্রি করার সুবিধা পাচ্ছে এবং দৈনিক গড়ে ১৮ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল তেল রপ্তানি করছে, যা মার্চ মাসের তুলনায় অনেক বেশি।
ভবিষ্যতে এই জলপথ ব্যবহারের জন্য স্থায়ী ‘ট্রানজিট ফি’ বা মাশুল চালুর আশঙ্কা করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। ইতোমধ্যে ইরান একটি জাহাজ থেকে ২০ লাখ ডলার মাশুল আদায় করেছে এবং বিকল্প পথ না থাকায় বাণিজ্যিক শিপিং কোম্পানিগুলো এই ফি মেনে নিতে বাধ্য হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন যে, ইরানের বর্তমান প্রস্তাবনাগুলো আলোচনার জন্য একটি কার্যকর ভিত্তি হতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে বিশ্ব তেল ও গ্যাস বাজারে গভীর প্রভাব ফেলার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দুই সপ্তাহের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘নিরঙ্কুশ বিজয়’ হিসেবে দাবি করলেও বিশ্লেষকরা একে ইরানের কৌশলগত সাফল্য হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহণ পথ হরমুজ প্রণালির ওপর তেহরানের নিরঙ্কুশ নিয়ন্ত্রণ বিশ্ব অর্থনীতিতে তাদের প্রভাবকে সুসংহত করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় ধরনের সামরিক শক্তি ছাড়াই কেবল এই জলপথের ওপর কর্তৃত্ব বজায় রেখে ইরান বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটানোর ক্ষমতা রাখে।
যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ১৫-২০ শতাংশ এবং ইউরোপে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। তবে ক্যাপিটাল ইকোনমিকস ও অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে, হরমুজ প্রণালির ওপর কর্তৃত্বের মাধ্যমে ইরান মূলত একটি কার্যকর অর্থনৈতিক যুদ্ধ পরিচালনা করছে। এই নিয়ন্ত্রণের ফলে ইরান বর্তমানে চড়া দামে তেল বিক্রি করার সুবিধা পাচ্ছে এবং দৈনিক গড়ে ১৮ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল তেল রপ্তানি করছে, যা মার্চ মাসের তুলনায় অনেক বেশি।
ভবিষ্যতে এই জলপথ ব্যবহারের জন্য স্থায়ী ‘ট্রানজিট ফি’ বা মাশুল চালুর আশঙ্কা করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। ইতোমধ্যে ইরান একটি জাহাজ থেকে ২০ লাখ ডলার মাশুল আদায় করেছে এবং বিকল্প পথ না থাকায় বাণিজ্যিক শিপিং কোম্পানিগুলো এই ফি মেনে নিতে বাধ্য হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন যে, ইরানের বর্তমান প্রস্তাবনাগুলো আলোচনার জন্য একটি কার্যকর ভিত্তি হতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে বিশ্ব তেল ও গ্যাস বাজারে গভীর প্রভাব ফেলার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন