ঢাকা নিউজ

হৃদস্পন্দন শনাক্ত করে ৪০ মাইল দূর থেকে পাইলটকে উদ্ধার করলো সিআইএ



হৃদস্পন্দন শনাক্ত করে ৪০ মাইল দূর থেকে পাইলটকে উদ্ধার করলো সিআইএ
ছবি : সংগৃহীত

ইরানে বিধ্বস্ত মার্কিন বিমানের পাইলটকে উদ্ধারে ‘গোস্ট মারমার’ নামক এক অতি গোপনীয় ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ। নিউইয়র্ক পোস্ট-এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মাইলের পর মাইল দূর থেকে নিখুঁতভাবে মানুষের হৃদস্পন্দন শনাক্ত করতে সক্ষম এই প্রযুক্তিটি প্রথমবারের মতো কোনো সরাসরি অভিযানে ব্যবহার করা হলো। ইরানে যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার পর দুর্গম পাহাড়ে আত্মগোপন করা পাইলটকে খুঁজে বের করতেই এই ভবিষ্যৎমুখী সিস্টেমটি কাজে লাগানো হয়।

এই সিস্টেমটি মূলত ‘লং-রেঞ্জ কোয়ান্টাম ম্যাগনেটোমেট্রি’ ব্যবহার করে মানুষের হৃদস্পন্দনের তড়িৎচৌম্বকীয় সংকেত শনাক্ত করে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে চারপাশের কোলাহল থেকে সেই নির্দিষ্ট সংকেতটি আলাদা করে ফেলে। উদ্ধার অভিযানের সময় সিআইএ কর্মকর্তারা পাইলটের অবস্থান নিয়ে বিভ্রান্তিতে থাকলেও এই প্রযুক্তির মাধ্যমে তার নিখুঁত অবস্থান এবং তিনি যে জীবিত আছেন, তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সিআইএ-র এই সাফল্যের প্রশংসা করে জানিয়েছেন, প্রায় ৪০ মাইল দূর থেকে ওই পাইলটকে শনাক্ত করা হয়েছে, যা অনেকটা খড়ের গাদায় সুঁই খুঁজে পাওয়ার মতো বিষয়। সিআইএ পরিচালক জন র‍্যাটক্লিফও জানিয়েছেন, শত্রুর চোখে অদৃশ্য থাকলেও সিআইএ-র প্রযুক্তির কাছে সেই পাইলট অদৃশ্য ছিলেন না।

লকহিড মার্টিনের অত্যন্ত গোপনীয় ‘স্কাঙ্ক ওয়ার্কস’ বিভাগে তৈরি এই প্রযুক্তিটি দক্ষিণ ইরানের জনমানবহীন মরুভূমি এলাকায় প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে সফল হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টারসহ বিভিন্ন সামরিক প্ল্যাটফর্মে ইতোমধ্যে এর পরীক্ষা চালানো হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এটি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানেও যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। মূলত দৃশ্যত পৃথিবী থেকে ‘উধাও’ হয়ে যাওয়া কাউকে খুঁজে বের করার সক্ষমতা থাকায় এই প্রযুক্তির নাম দেওয়া হয়েছে ‘গোস্ট’।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬


হৃদস্পন্দন শনাক্ত করে ৪০ মাইল দূর থেকে পাইলটকে উদ্ধার করলো সিআইএ

প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ইরানে বিধ্বস্ত মার্কিন বিমানের পাইলটকে উদ্ধারে ‘গোস্ট মারমার’ নামক এক অতি গোপনীয় ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ। নিউইয়র্ক পোস্ট-এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মাইলের পর মাইল দূর থেকে নিখুঁতভাবে মানুষের হৃদস্পন্দন শনাক্ত করতে সক্ষম এই প্রযুক্তিটি প্রথমবারের মতো কোনো সরাসরি অভিযানে ব্যবহার করা হলো। ইরানে যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার পর দুর্গম পাহাড়ে আত্মগোপন করা পাইলটকে খুঁজে বের করতেই এই ভবিষ্যৎমুখী সিস্টেমটি কাজে লাগানো হয়।

এই সিস্টেমটি মূলত ‘লং-রেঞ্জ কোয়ান্টাম ম্যাগনেটোমেট্রি’ ব্যবহার করে মানুষের হৃদস্পন্দনের তড়িৎচৌম্বকীয় সংকেত শনাক্ত করে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে চারপাশের কোলাহল থেকে সেই নির্দিষ্ট সংকেতটি আলাদা করে ফেলে। উদ্ধার অভিযানের সময় সিআইএ কর্মকর্তারা পাইলটের অবস্থান নিয়ে বিভ্রান্তিতে থাকলেও এই প্রযুক্তির মাধ্যমে তার নিখুঁত অবস্থান এবং তিনি যে জীবিত আছেন, তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সিআইএ-র এই সাফল্যের প্রশংসা করে জানিয়েছেন, প্রায় ৪০ মাইল দূর থেকে ওই পাইলটকে শনাক্ত করা হয়েছে, যা অনেকটা খড়ের গাদায় সুঁই খুঁজে পাওয়ার মতো বিষয়। সিআইএ পরিচালক জন র‍্যাটক্লিফও জানিয়েছেন, শত্রুর চোখে অদৃশ্য থাকলেও সিআইএ-র প্রযুক্তির কাছে সেই পাইলট অদৃশ্য ছিলেন না।

লকহিড মার্টিনের অত্যন্ত গোপনীয় ‘স্কাঙ্ক ওয়ার্কস’ বিভাগে তৈরি এই প্রযুক্তিটি দক্ষিণ ইরানের জনমানবহীন মরুভূমি এলাকায় প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে সফল হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টারসহ বিভিন্ন সামরিক প্ল্যাটফর্মে ইতোমধ্যে এর পরীক্ষা চালানো হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এটি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানেও যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। মূলত দৃশ্যত পৃথিবী থেকে ‘উধাও’ হয়ে যাওয়া কাউকে খুঁজে বের করার সক্ষমতা থাকায় এই প্রযুক্তির নাম দেওয়া হয়েছে ‘গোস্ট’।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ