গত ১ মার্চ কুয়েতের শুয়াইবা বন্দরে ইরানি ড্রোন হামলায় মার্কিন সেনাবাহিনীর রিজার্ভ ফোর্সের ৬ সদস্য নিহতের ঘটনা নিয়ে পেন্টাগন ও ভুক্তভোগী সেনাদের মধ্যে চরম বিরোধ দেখা দিয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ দাবি করেছিলেন, ড্রোনটি একটি অত্যন্ত সুরক্ষিত বা 'ফর্টিফাইড' অপারেশন সেন্টারে আঘাত হেনেছে। তবে হামলায় আহত ১০৩তম সাস্টেইনমেন্ট কমান্ডের সেনারা সিবিএস নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই দাবিকে সরাসরি ‘মিথ্যা’ বলে অভিহিত করেছেন।
আহত সেনাদের বর্ণনা অনুযায়ী, হামলার দিন সকালে মিসাইল অ্যালার্টের পর সবাইকে ‘অল ক্লিয়ার’ বা বিপদভুক্ত সংকেত দিয়ে নিরাপদ আশ্রয় থেকে বের করে আনা হয়েছিল। এর ঠিক ৩০ মিনিট পরই ড্রোনটি তাদের ওপর আঘাত হানে। তারা দাবি করেছেন, স্থাপনাটি মোটেও সুরক্ষিত ছিল না এবং পুরো ইউনিটটি আত্মরক্ষার জন্য তখন একেবারেই অপ্রস্তুত ছিল। এমনকি হামলার সময় কোনো সাইরেন বা সতর্কতাও বাজেনি।
সেনারা আরও অভিযোগ করেছেন যে, তাদেরকে জেনেশুনেই ইরানি ড্রোন ও মিসাইল সীমার মধ্যে অর্থাৎ ‘থ্রেট জোন’-এর কাছে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। হামলার ভয়াবহ বর্ণনা দিয়ে একজন সেনা জানান, বিস্ফোরণে চারপাশ ধুলো আর ধোঁয়ায় অন্ধকার হয়ে গিয়েছিল এবং উদ্ধার তৎপরতা ছিল অত্যন্ত নাজুক। আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার জন্য তখন বেসামরিক যানবাহন ব্যবহার করতে হয়েছিল এবং সেনারা নিজেরাই নিজেদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছেন।
এদিকে সহকারী প্রতিরক্ষা সচিব শন পারনেল সেনাদের সুরক্ষায় সব ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করলেও রয়টার্সের তথ্যমতে, হামলার সময় সেখানে কোনো সক্রিয় বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছিল কি না তা স্পষ্ট নয়। সেনাদের এমন ঝুঁকির মুখে কেন কোনো কার্যকর প্রতিরক্ষা ছাড়া রাখা হয়েছিল, তা নিয়ে এখন মার্কিন প্রশাসনের ভেতরে ও বাইরে ব্যাপক বিতর্ক ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
গত ১ মার্চ কুয়েতের শুয়াইবা বন্দরে ইরানি ড্রোন হামলায় মার্কিন সেনাবাহিনীর রিজার্ভ ফোর্সের ৬ সদস্য নিহতের ঘটনা নিয়ে পেন্টাগন ও ভুক্তভোগী সেনাদের মধ্যে চরম বিরোধ দেখা দিয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ দাবি করেছিলেন, ড্রোনটি একটি অত্যন্ত সুরক্ষিত বা 'ফর্টিফাইড' অপারেশন সেন্টারে আঘাত হেনেছে। তবে হামলায় আহত ১০৩তম সাস্টেইনমেন্ট কমান্ডের সেনারা সিবিএস নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই দাবিকে সরাসরি ‘মিথ্যা’ বলে অভিহিত করেছেন।
আহত সেনাদের বর্ণনা অনুযায়ী, হামলার দিন সকালে মিসাইল অ্যালার্টের পর সবাইকে ‘অল ক্লিয়ার’ বা বিপদভুক্ত সংকেত দিয়ে নিরাপদ আশ্রয় থেকে বের করে আনা হয়েছিল। এর ঠিক ৩০ মিনিট পরই ড্রোনটি তাদের ওপর আঘাত হানে। তারা দাবি করেছেন, স্থাপনাটি মোটেও সুরক্ষিত ছিল না এবং পুরো ইউনিটটি আত্মরক্ষার জন্য তখন একেবারেই অপ্রস্তুত ছিল। এমনকি হামলার সময় কোনো সাইরেন বা সতর্কতাও বাজেনি।
সেনারা আরও অভিযোগ করেছেন যে, তাদেরকে জেনেশুনেই ইরানি ড্রোন ও মিসাইল সীমার মধ্যে অর্থাৎ ‘থ্রেট জোন’-এর কাছে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। হামলার ভয়াবহ বর্ণনা দিয়ে একজন সেনা জানান, বিস্ফোরণে চারপাশ ধুলো আর ধোঁয়ায় অন্ধকার হয়ে গিয়েছিল এবং উদ্ধার তৎপরতা ছিল অত্যন্ত নাজুক। আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার জন্য তখন বেসামরিক যানবাহন ব্যবহার করতে হয়েছিল এবং সেনারা নিজেরাই নিজেদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছেন।
এদিকে সহকারী প্রতিরক্ষা সচিব শন পারনেল সেনাদের সুরক্ষায় সব ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করলেও রয়টার্সের তথ্যমতে, হামলার সময় সেখানে কোনো সক্রিয় বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছিল কি না তা স্পষ্ট নয়। সেনাদের এমন ঝুঁকির মুখে কেন কোনো কার্যকর প্রতিরক্ষা ছাড়া রাখা হয়েছিল, তা নিয়ে এখন মার্কিন প্রশাসনের ভেতরে ও বাইরে ব্যাপক বিতর্ক ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন