যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর দীর্ঘ প্রতীক্ষিত পূর্ব জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে এক লাখের বেশি মুসল্লি জুমার নামাজ আদায় করেছেন। শুক্রবারের এই নামাজে মুসল্লিদের ব্যাপক উপস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইসলামি কর্তৃপক্ষ ও বার্তা সংস্থা এএফপি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধের কারণে এই পবিত্র স্থানটি দীর্ঘ সময় বন্ধ ছিল।
জেরুজালেমের পুরোনো শহরে অবস্থিত আল-আকসা মসজিদ, ইহুদিদের ওয়েস্টার্ন ওয়াল এবং খ্রিস্টানদের চার্চ অব দ্য হোলি সেপালখারের মতো পবিত্র স্থানগুলো দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর গত বৃহস্পতিবার খুলে দেওয়া হয়। এর আগে চলতি বছরের পবিত্র রমজান মাসেও সাধারণ মুসল্লিরা আল-আকসা মসজিদে প্রবেশের সুযোগ পাননি।
জর্ডানের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ইসলামিক ওয়াক্ফ জানিয়েছে, দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞা শেষে অনুষ্ঠিত এই প্রথম জুমার নামাজে মুসল্লিদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। এএফপিটিভির সরাসরি সম্প্রচারে পুরো আল-আকসা প্রাঙ্গণকে কানায় কানায় পূর্ণ দেখা গেছে। এতে অংশ নিতে পেরে উপস্থিত মুসল্লিরা গভীর আবেগ ও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
তবে আল-আকসায় প্রবেশের সুযোগ মিললেও ইসরাইল অধিকৃত পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিদের ওপর এখনো বয়স ও অনুমতির ভিত্তিতে কঠোর বিধিনিষেধ জারি রয়েছে। তা সত্ত্বেও যুদ্ধবিরতির পর ধর্মীয় স্থানগুলো পুনরায় খুলে দেওয়াকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিশেষ অনুভূতি লক্ষ্য করা গেছে।

শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর দীর্ঘ প্রতীক্ষিত পূর্ব জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে এক লাখের বেশি মুসল্লি জুমার নামাজ আদায় করেছেন। শুক্রবারের এই নামাজে মুসল্লিদের ব্যাপক উপস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইসলামি কর্তৃপক্ষ ও বার্তা সংস্থা এএফপি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধের কারণে এই পবিত্র স্থানটি দীর্ঘ সময় বন্ধ ছিল।
জেরুজালেমের পুরোনো শহরে অবস্থিত আল-আকসা মসজিদ, ইহুদিদের ওয়েস্টার্ন ওয়াল এবং খ্রিস্টানদের চার্চ অব দ্য হোলি সেপালখারের মতো পবিত্র স্থানগুলো দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর গত বৃহস্পতিবার খুলে দেওয়া হয়। এর আগে চলতি বছরের পবিত্র রমজান মাসেও সাধারণ মুসল্লিরা আল-আকসা মসজিদে প্রবেশের সুযোগ পাননি।
জর্ডানের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ইসলামিক ওয়াক্ফ জানিয়েছে, দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞা শেষে অনুষ্ঠিত এই প্রথম জুমার নামাজে মুসল্লিদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। এএফপিটিভির সরাসরি সম্প্রচারে পুরো আল-আকসা প্রাঙ্গণকে কানায় কানায় পূর্ণ দেখা গেছে। এতে অংশ নিতে পেরে উপস্থিত মুসল্লিরা গভীর আবেগ ও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
তবে আল-আকসায় প্রবেশের সুযোগ মিললেও ইসরাইল অধিকৃত পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিদের ওপর এখনো বয়স ও অনুমতির ভিত্তিতে কঠোর বিধিনিষেধ জারি রয়েছে। তা সত্ত্বেও যুদ্ধবিরতির পর ধর্মীয় স্থানগুলো পুনরায় খুলে দেওয়াকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিশেষ অনুভূতি লক্ষ্য করা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন