দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির অংশ হিসেবে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর একটি শক্তিশালী দল যুদ্ধবিমানসহ সৌদি আরবে পৌঁছেছে। শনিবার সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভ্রাতৃপ্রতিম দুই দেশের সামরিক সমন্বয় বৃদ্ধি ও অপারেশনাল প্রস্তুতি উন্নত করতে পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান ও সহায়ক বিমানগুলো সৌদি আরবের ইস্টার্ন সেক্টরের কিং আব্দুল আজিজ বিমান ঘাঁটিতে অবস্থান নিয়েছে। গত ১৭ সেপ্টেম্বর স্বাক্ষরিত এই চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, যেকোনো এক দেশের ওপর আক্রমণ উভয় দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে।
মধ্যপ্রাচ্যে পাকিস্তানের এই সামরিক বহর পাঠানোর পেছনে বড় একটি কারণ হলো ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শুরু হতে যাওয়া শান্তি আলোচনা। ইরানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলকে তেহরান থেকে ইসলামাবাদে নিরাপদে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করছে পাকিস্তান। পথে ইসরাইলি হামলার ঝুঁকি এড়াতে এবং শান্তি আলোচনায় কোনো প্রকার নাশকতা রুখতে পাকিস্তান তাদের জেএফ-১৭ থান্ডার, এফ-১৬ যুদ্ধবিমান, সি-১৩০ হারকিউলিস এবং অ্যাওয়াক্স সিস্টেম মোতায়েন করেছে।
শুক্রবার সকাল থেকেই পাকিস্তানের এই অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানগুলো সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইরানের বন্দর আব্বাসের কাছে আকাশে ‘আয়রন এসকর্ট’ হিসেবে অবস্থান করছে। এই বিশেষ সামরিক পাহারার মূল লক্ষ্য হলো পারস্য উপসাগর থেকে পাকিস্তান পর্যন্ত আকাশসীমা সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা। ইরানি প্রতিনিধিদলের যাতায়াতের সময় যেন কোনো প্রকার বিপত্তি না ঘটে, তা নিশ্চিত করতেই এই নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
আলজাজিরা ও আল আরাবিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে বিভিন্ন খাতে অত্যন্ত শক্তিশালী অংশীদারিত্ব বিদ্যমান। বর্তমান উত্তপ্ত ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা সফল করতে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে পাকিস্তানের এই যুদ্ধবিমান মোতায়েন ও আকাশপথের পাহারা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির অংশ হিসেবে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর একটি শক্তিশালী দল যুদ্ধবিমানসহ সৌদি আরবে পৌঁছেছে। শনিবার সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভ্রাতৃপ্রতিম দুই দেশের সামরিক সমন্বয় বৃদ্ধি ও অপারেশনাল প্রস্তুতি উন্নত করতে পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান ও সহায়ক বিমানগুলো সৌদি আরবের ইস্টার্ন সেক্টরের কিং আব্দুল আজিজ বিমান ঘাঁটিতে অবস্থান নিয়েছে। গত ১৭ সেপ্টেম্বর স্বাক্ষরিত এই চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, যেকোনো এক দেশের ওপর আক্রমণ উভয় দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে।
মধ্যপ্রাচ্যে পাকিস্তানের এই সামরিক বহর পাঠানোর পেছনে বড় একটি কারণ হলো ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শুরু হতে যাওয়া শান্তি আলোচনা। ইরানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলকে তেহরান থেকে ইসলামাবাদে নিরাপদে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করছে পাকিস্তান। পথে ইসরাইলি হামলার ঝুঁকি এড়াতে এবং শান্তি আলোচনায় কোনো প্রকার নাশকতা রুখতে পাকিস্তান তাদের জেএফ-১৭ থান্ডার, এফ-১৬ যুদ্ধবিমান, সি-১৩০ হারকিউলিস এবং অ্যাওয়াক্স সিস্টেম মোতায়েন করেছে।
শুক্রবার সকাল থেকেই পাকিস্তানের এই অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানগুলো সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইরানের বন্দর আব্বাসের কাছে আকাশে ‘আয়রন এসকর্ট’ হিসেবে অবস্থান করছে। এই বিশেষ সামরিক পাহারার মূল লক্ষ্য হলো পারস্য উপসাগর থেকে পাকিস্তান পর্যন্ত আকাশসীমা সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা। ইরানি প্রতিনিধিদলের যাতায়াতের সময় যেন কোনো প্রকার বিপত্তি না ঘটে, তা নিশ্চিত করতেই এই নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
আলজাজিরা ও আল আরাবিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে বিভিন্ন খাতে অত্যন্ত শক্তিশালী অংশীদারিত্ব বিদ্যমান। বর্তমান উত্তপ্ত ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা সফল করতে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে পাকিস্তানের এই যুদ্ধবিমান মোতায়েন ও আকাশপথের পাহারা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

আপনার মতামত লিখুন