ইসলামাবাদে চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার মধ্যেই তেহরানের জন্য বড় এক সুখবর এসেছে। কাতারসহ বিভিন্ন বিদেশি ব্যাংকে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা ইরানের বিশাল অংকের অর্থ ছাড় দিতে সম্মত হয়েছে ওয়াশিংটন। ইরানের একটি জ্যেষ্ঠ সূত্রের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তকে একটি সফল সমঝোতায় পৌঁছানোর ক্ষেত্রে ‘আন্তরিকতার লক্ষণ’ হিসেবে দেখছে তেহরান।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া তথ্যে এক ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই সম্পদ মুক্ত করার বিষয়টি সরাসরি হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদ জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করার শর্তের সঙ্গে যুক্ত। ইসলামাবাদে চলমান দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ইস্যুটি অত্যন্ত গুরুত্ব পাচ্ছে এবং এই অর্থ ছাড়ের পদক্ষেপ সেই আলোচনাকে আরও বেগবান করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ঠিক কত অর্থ ছাড় দেওয়া হবে সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো না হলেও, অন্য একটি সূত্র দাবি করেছে যে কাতারে থাকা ইরানের প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলারের তহবিল ছাড়তে রাজি হয়েছে ওয়াশিংটন। তবে এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি এবং কাতার সরকারও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
উল্লেখ্য, এই ৬ বিলিয়ন ডলার মূলত দক্ষিণ কোরিয়ায় ইরানের তেল বিক্রির আয়, যা ২০১৮ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলে পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর জব্দ করা হয়েছিল। ২০২৩ সালে বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় এই অর্থ কাতারের ব্যাংকে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হলেও পরবর্তীতে ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জো বাইডেন প্রশাসন পুনরায় এই অর্থ স্থগিত করে দিয়েছিল।
পূর্ববর্তী শর্ত অনুযায়ী, এই অর্থ কেবল খাদ্য, ওষুধ এবং কৃষিপণ্যের মতো মানবিক খাতে ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে, যা সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। বিশ্লেষকদের মতে, ইসলামাবাদের এই আলোচনার মাধ্যমে অর্থ ছাড়ের বিষয়টি চূড়ান্ত হলে তা মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রশমনে এবং একটি বৃহত্তর কূটনৈতিক সমঝোতার পথ উন্মোচনে সহায়ক হবে।

শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
ইসলামাবাদে চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার মধ্যেই তেহরানের জন্য বড় এক সুখবর এসেছে। কাতারসহ বিভিন্ন বিদেশি ব্যাংকে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা ইরানের বিশাল অংকের অর্থ ছাড় দিতে সম্মত হয়েছে ওয়াশিংটন। ইরানের একটি জ্যেষ্ঠ সূত্রের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তকে একটি সফল সমঝোতায় পৌঁছানোর ক্ষেত্রে ‘আন্তরিকতার লক্ষণ’ হিসেবে দেখছে তেহরান।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া তথ্যে এক ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই সম্পদ মুক্ত করার বিষয়টি সরাসরি হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদ জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করার শর্তের সঙ্গে যুক্ত। ইসলামাবাদে চলমান দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ইস্যুটি অত্যন্ত গুরুত্ব পাচ্ছে এবং এই অর্থ ছাড়ের পদক্ষেপ সেই আলোচনাকে আরও বেগবান করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ঠিক কত অর্থ ছাড় দেওয়া হবে সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো না হলেও, অন্য একটি সূত্র দাবি করেছে যে কাতারে থাকা ইরানের প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলারের তহবিল ছাড়তে রাজি হয়েছে ওয়াশিংটন। তবে এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি এবং কাতার সরকারও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
উল্লেখ্য, এই ৬ বিলিয়ন ডলার মূলত দক্ষিণ কোরিয়ায় ইরানের তেল বিক্রির আয়, যা ২০১৮ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলে পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর জব্দ করা হয়েছিল। ২০২৩ সালে বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় এই অর্থ কাতারের ব্যাংকে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হলেও পরবর্তীতে ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জো বাইডেন প্রশাসন পুনরায় এই অর্থ স্থগিত করে দিয়েছিল।
পূর্ববর্তী শর্ত অনুযায়ী, এই অর্থ কেবল খাদ্য, ওষুধ এবং কৃষিপণ্যের মতো মানবিক খাতে ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে, যা সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। বিশ্লেষকদের মতে, ইসলামাবাদের এই আলোচনার মাধ্যমে অর্থ ছাড়ের বিষয়টি চূড়ান্ত হলে তা মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রশমনে এবং একটি বৃহত্তর কূটনৈতিক সমঝোতার পথ উন্মোচনে সহায়ক হবে।

আপনার মতামত লিখুন