চট্টগ্রামের পতেঙ্গা এলাকায় একটি মাছ ধরার ট্রলারে অভিযান চালিয়ে পাঁচ লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে র্যাব-৭। শুক্রবার রাতে নগরীর পতেঙ্গা থানাধীন ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। উদ্ধারকৃত এসব মাদকের বাজারমূল্য প্রায় ১৫ কোটি টাকা বলে জানিয়েছে র্যাব।
অভিযান চলাকালে মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে পাঁচজন মিয়ানমারের নাগরিক। গ্রেফতারকৃত মিয়ানমারের নাগরিকরা হলেন—সৈয়দ আলম, সুলতান আহম্মদ, মো. ইউসুফ, মো. কাসিম ও ইসমাইল। বাকি চারজন বাংলাদেশি নাগরিক হলেন—শাহ আলম, আজম উল্লাহ, ফারুক ও ছানাউল্লাহ।
র্যাব-৭ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কক্সবাজার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান নিয়ে ফিশিং বোটটি চট্টগ্রামের দিকে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাবের একটি দল পতেঙ্গা এলাকায় অবস্থান নেয়। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদককারবারিরা পালানোর চেষ্টা করলে তাদের গ্রেফতার করা হয় এবং বোটের ইঞ্জিন রুমে তল্লাশি চালিয়ে ইয়াবাগুলো উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা স্বীকার করেছে যে, তারা মিয়ানমারের সীমান্ত এলাকা থেকে কম দামে মাদক কিনে সাগরপথে চট্টগ্রাম ও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে আসছিল। সড়কপথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারি এড়াতে তারা মাছ ধরার ট্রলার ব্যবহার করে এই পাচারকাজ চালাচ্ছিল।
র্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এআরএম মোজাফফর হোসেন জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পতেঙ্গা থানায় মামলা দায়েরের পর তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। মাদকবিরোধী এই অভিযানে বড় ধরনের সাফল্যের পর এলাকায় নিরাপত্তা তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে।

শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
চট্টগ্রামের পতেঙ্গা এলাকায় একটি মাছ ধরার ট্রলারে অভিযান চালিয়ে পাঁচ লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে র্যাব-৭। শুক্রবার রাতে নগরীর পতেঙ্গা থানাধীন ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। উদ্ধারকৃত এসব মাদকের বাজারমূল্য প্রায় ১৫ কোটি টাকা বলে জানিয়েছে র্যাব।
অভিযান চলাকালে মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে পাঁচজন মিয়ানমারের নাগরিক। গ্রেফতারকৃত মিয়ানমারের নাগরিকরা হলেন—সৈয়দ আলম, সুলতান আহম্মদ, মো. ইউসুফ, মো. কাসিম ও ইসমাইল। বাকি চারজন বাংলাদেশি নাগরিক হলেন—শাহ আলম, আজম উল্লাহ, ফারুক ও ছানাউল্লাহ।
র্যাব-৭ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কক্সবাজার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান নিয়ে ফিশিং বোটটি চট্টগ্রামের দিকে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাবের একটি দল পতেঙ্গা এলাকায় অবস্থান নেয়। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদককারবারিরা পালানোর চেষ্টা করলে তাদের গ্রেফতার করা হয় এবং বোটের ইঞ্জিন রুমে তল্লাশি চালিয়ে ইয়াবাগুলো উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা স্বীকার করেছে যে, তারা মিয়ানমারের সীমান্ত এলাকা থেকে কম দামে মাদক কিনে সাগরপথে চট্টগ্রাম ও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে আসছিল। সড়কপথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারি এড়াতে তারা মাছ ধরার ট্রলার ব্যবহার করে এই পাচারকাজ চালাচ্ছিল।
র্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এআরএম মোজাফফর হোসেন জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পতেঙ্গা থানায় মামলা দায়েরের পর তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। মাদকবিরোধী এই অভিযানে বড় ধরনের সাফল্যের পর এলাকায় নিরাপত্তা তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন