ইসলাম ধর্ম বিকৃতি ও অবমাননার অভিযোগে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর গণপিটুনিতে শামীম রেজা নামে এক কথিত পীর নিহত হয়েছেন। শনিবার দুপুরে উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে। এসময় উত্তেজিত জনতা তার আস্তানায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে এবং হামলায় তার অন্তত সাতজন অনুসারী আহত হন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শামীম রেজা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় 'ভণ্ড' পীর হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং ইসলাম ধর্মের মৌলিক ইবাদত নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রচার করতেন। তিনি নামাজ, রোজা ও হজের বিধান অস্বীকার করে অনুসারীদের মক্কার পরিবর্তে স্থানীয় একটি বাঁশ বাগানে যাওয়ার নির্দেশ দিতেন। এছাড়াও পবিত্র কুরআন অবমাননা এবং মৃতদেহ দাফনের সময় ঢাকঢোল বাজানোসহ বিভিন্ন অস্বাভাবিক আচারের কারণে স্থানীয়দের মধ্যে দীর্ঘদিনের তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছিল।
পুলিশ জানায়, শামীম রেজা উচ্চশিক্ষিত হয়ে শিক্ষকতা পেশায় থাকলেও পরবর্তীতে এলাকায় আস্তানা গড়ে বিতর্কিত কর্মকাণ্ড শুরু করেন। এর আগেও ২০২১ সালে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে তিনি গ্রেফতার হয়ে কারাভোগ করেছিলেন। জেল থেকে বেরিয়ে তিনি পুনরায় একই ধরনের কার্যক্রম শুরু করলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের আগেই জনতা তার আস্তানায় হামলা চালায়।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গণপিটুনিতে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালে শামীম রেজার মৃত্যু হয়। বর্তমানে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে এবং এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
ইসলাম ধর্ম বিকৃতি ও অবমাননার অভিযোগে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর গণপিটুনিতে শামীম রেজা নামে এক কথিত পীর নিহত হয়েছেন। শনিবার দুপুরে উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে। এসময় উত্তেজিত জনতা তার আস্তানায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে এবং হামলায় তার অন্তত সাতজন অনুসারী আহত হন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শামীম রেজা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় 'ভণ্ড' পীর হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং ইসলাম ধর্মের মৌলিক ইবাদত নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রচার করতেন। তিনি নামাজ, রোজা ও হজের বিধান অস্বীকার করে অনুসারীদের মক্কার পরিবর্তে স্থানীয় একটি বাঁশ বাগানে যাওয়ার নির্দেশ দিতেন। এছাড়াও পবিত্র কুরআন অবমাননা এবং মৃতদেহ দাফনের সময় ঢাকঢোল বাজানোসহ বিভিন্ন অস্বাভাবিক আচারের কারণে স্থানীয়দের মধ্যে দীর্ঘদিনের তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছিল।
পুলিশ জানায়, শামীম রেজা উচ্চশিক্ষিত হয়ে শিক্ষকতা পেশায় থাকলেও পরবর্তীতে এলাকায় আস্তানা গড়ে বিতর্কিত কর্মকাণ্ড শুরু করেন। এর আগেও ২০২১ সালে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে তিনি গ্রেফতার হয়ে কারাভোগ করেছিলেন। জেল থেকে বেরিয়ে তিনি পুনরায় একই ধরনের কার্যক্রম শুরু করলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের আগেই জনতা তার আস্তানায় হামলা চালায়।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গণপিটুনিতে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালে শামীম রেজার মৃত্যু হয়। বর্তমানে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে এবং এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন