ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন ডিএনডি খাল খনন ও খালের দুই পাশে গার্ডওয়াল স্থাপনের জন্য ৯০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জিয়া সরণি খাল খনন করে পরিকল্পিতভাবে বুড়িগঙ্গার সঙ্গে যুক্ত করতে আরও ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। শনিবার সকালে কদমতলী এলাকায় জিয়া সরণি ও কুতুবখালী খাল পরিদর্শন শেষে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এই বড় অঙ্কের বরাদ্দের কথা ঘোষণা করেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অর্থায়নে আগামী জুলাই মাস থেকে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে মূল খনন কাজ শুরু হবে আগামী বর্ষা মৌসুমের পর থেকে। বর্তমানে খালগুলো পরিষ্কারের প্রাথমিক কাজ চলমান আছে। ঢাকার সব খাল উদ্ধারসহ দখলকারীদের তালিকা তৈরি করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
জিয়া সরণি খালের উন্নয়ন প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, বিগত ১৯ বছর কেবল নামের কারণে খালটি পুনঃখনন বা সড়কটির কোনো উন্নয়ন করা হয়নি, যা এলাকাবাসীর ভোগান্তি বাড়িয়েছে। নামের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে দেশের উন্নয়ন করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। জলাবদ্ধতা নিরসন ও পানি প্রবাহ সচল রাখতে খালটির সংস্কারে ৩০০ কোটি টাকার বিশেষ বাজেট রাখা হয়েছে।
এছাড়া শ্যামপুর খাল খনন ও বাঁধ নির্মাণের জন্য ৯০০ কোটি টাকা বরাদ্দের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে দ্রুত খালটি পরিষ্কার ও দখলমুক্ত করার নির্দেশ দেন। ঢাকার জলাবদ্ধতা সমস্যা নিরসনে খালগুলোর নাব্যতা ফিরিয়ে আনাকে তিনি অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করেন।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রশাসক আব্দুস সালাম এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিনসহ সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। তারা খালগুলোর দখল ও দূষণ রোধে সরকারের নেওয়া এই উদ্যোগকে সফল করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন ডিএনডি খাল খনন ও খালের দুই পাশে গার্ডওয়াল স্থাপনের জন্য ৯০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জিয়া সরণি খাল খনন করে পরিকল্পিতভাবে বুড়িগঙ্গার সঙ্গে যুক্ত করতে আরও ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। শনিবার সকালে কদমতলী এলাকায় জিয়া সরণি ও কুতুবখালী খাল পরিদর্শন শেষে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এই বড় অঙ্কের বরাদ্দের কথা ঘোষণা করেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অর্থায়নে আগামী জুলাই মাস থেকে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে মূল খনন কাজ শুরু হবে আগামী বর্ষা মৌসুমের পর থেকে। বর্তমানে খালগুলো পরিষ্কারের প্রাথমিক কাজ চলমান আছে। ঢাকার সব খাল উদ্ধারসহ দখলকারীদের তালিকা তৈরি করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
জিয়া সরণি খালের উন্নয়ন প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, বিগত ১৯ বছর কেবল নামের কারণে খালটি পুনঃখনন বা সড়কটির কোনো উন্নয়ন করা হয়নি, যা এলাকাবাসীর ভোগান্তি বাড়িয়েছে। নামের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে দেশের উন্নয়ন করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। জলাবদ্ধতা নিরসন ও পানি প্রবাহ সচল রাখতে খালটির সংস্কারে ৩০০ কোটি টাকার বিশেষ বাজেট রাখা হয়েছে।
এছাড়া শ্যামপুর খাল খনন ও বাঁধ নির্মাণের জন্য ৯০০ কোটি টাকা বরাদ্দের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে দ্রুত খালটি পরিষ্কার ও দখলমুক্ত করার নির্দেশ দেন। ঢাকার জলাবদ্ধতা সমস্যা নিরসনে খালগুলোর নাব্যতা ফিরিয়ে আনাকে তিনি অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করেন।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রশাসক আব্দুস সালাম এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিনসহ সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। তারা খালগুলোর দখল ও দূষণ রোধে সরকারের নেওয়া এই উদ্যোগকে সফল করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন