মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান আগামীতেও ‘ইতিবাচক মনোভাব’ বজায় রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। আজ রবিবার (১২ এপ্রিল) সকালে ইসলামাবাদে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যকার দীর্ঘ আলোচনা শেষ হওয়ার পর গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন। ‘ইসলামাবাদ টকস’ শিরোনামে শনিবার বিকেল থেকে শুরু হয়ে রবিবার পর্যন্ত কয়েক দফায় এই নিবিড় আলোচনা চলে।
ইসহাক দার জানান, গত ২৪ ঘণ্টা ধরে চলা এই গঠনমূলক আলোচনায় তিনি নিজে এবং পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনির মধ্যস্থতা করেছেন। যুদ্ধবিরতি ও শান্তি প্রক্রিয়ায় পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকার জন্য তিনি উভয় পক্ষকে ধন্যবাদ জানান। পাকিস্তান আশা করে যে, পুরো অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও সমৃদ্ধি ফিরিয়ে আনতে উভয় দেশ আলোচনার এই ধারা অব্যাহত রাখবে।
এদিকে আলোচনা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানান, ২১ ঘণ্টার দীর্ঘ এই বৈঠকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হলেও শেষ পর্যন্ত কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। তিনি উল্লেখ করেন, ওয়াশিংটন তাদের আপোসের সীমারেখা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে দিয়েছিল, কিন্তু ইরানি প্রতিনিধিদল সেই শর্তগুলো মেনে নেয়নি। ফলে গঠনমূলক আলোচনা সত্ত্বেও কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা ছাড়াই এই দফার বৈঠক শেষ হয়েছে।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান আগামীতেও ‘ইতিবাচক মনোভাব’ বজায় রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। আজ রবিবার (১২ এপ্রিল) সকালে ইসলামাবাদে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যকার দীর্ঘ আলোচনা শেষ হওয়ার পর গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন। ‘ইসলামাবাদ টকস’ শিরোনামে শনিবার বিকেল থেকে শুরু হয়ে রবিবার পর্যন্ত কয়েক দফায় এই নিবিড় আলোচনা চলে।
ইসহাক দার জানান, গত ২৪ ঘণ্টা ধরে চলা এই গঠনমূলক আলোচনায় তিনি নিজে এবং পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনির মধ্যস্থতা করেছেন। যুদ্ধবিরতি ও শান্তি প্রক্রিয়ায় পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকার জন্য তিনি উভয় পক্ষকে ধন্যবাদ জানান। পাকিস্তান আশা করে যে, পুরো অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও সমৃদ্ধি ফিরিয়ে আনতে উভয় দেশ আলোচনার এই ধারা অব্যাহত রাখবে।
এদিকে আলোচনা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানান, ২১ ঘণ্টার দীর্ঘ এই বৈঠকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হলেও শেষ পর্যন্ত কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। তিনি উল্লেখ করেন, ওয়াশিংটন তাদের আপোসের সীমারেখা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে দিয়েছিল, কিন্তু ইরানি প্রতিনিধিদল সেই শর্তগুলো মেনে নেয়নি। ফলে গঠনমূলক আলোচনা সত্ত্বেও কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা ছাড়াই এই দফার বৈঠক শেষ হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন