ইরাকের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অচলাবস্থা কাটিয়ে নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন প্রকৌশলী ও অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ নিজার আমেদি। শনিবার পার্লামেন্টের বিশেষ অধিবেশনে দ্বিতীয় দফার ভোটে ২২৭ ভোট পেয়ে তিনি বিশাল ব্যবধানে জয়ী হন। ২০০৩ সালে সাদ্দাম হোসেনের পতনের পর তিনি দেশটির ষষ্ঠ রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন। ফলাফল ঘোষণার পরপরই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেন।
৫৮ বছর বয়সী নিজার আমেদি কুর্দি দল 'প্যাট্রিয়টিক ইউনিয়ন অব কুর্দিস্তান' (পিইউকে)-এর একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা। তিনি এর আগে ইরাকের পরিবেশ মন্ত্রী এবং তিনজন প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ইরাকের রাজনৈতিক কাঠামো অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট পদটি কুর্দি সম্প্রদায়ের জন্য নির্ধারিত থাকলেও দলগুলোর অভ্যন্তরীণ কোন্দলে দীর্ঘ সময় এই নির্বাচন ঝুলে ছিল। আমেদির এই বিজয়কে দেশটির স্থিতিশীলতার পথে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
শপথ গ্রহণের পর নিজার আমেদি জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে 'ইরাক ফার্স্ট' নীতি অনুসরণের অঙ্গীকার করেন। তিনি সরকার, বিচার বিভাগ ও সংসদের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার ইচ্ছা পোষণ করেন। এছাড়া তিনি সম্প্রতি ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যকার সংঘর্ষের জেরে ইরাকের মাটিতে হওয়া হামলার তীব্র নিন্দা জানান।
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রক্রিয়া শেষ হওয়ায় এখন সবার নজর পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের দিকে। ইরাকের সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী, নতুন প্রেসিডেন্টকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পার্লামেন্টের সংখ্যাগরিষ্ঠ জোটের মনোনীত প্রার্থীকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিতে হবে। ইতিমধ্যে শিয়া রাজনৈতিক জোট সাবেক প্রধানমন্ত্রী নূরি আল-মালিকিকে এই পদের জন্য মনোনীত করেছে। নতুন প্রধানমন্ত্রীকে এরপর ৩০ দিনের মধ্যে মন্ত্রিসভা গঠন করে সংসদের আস্থা অর্জন করতে হবে।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
ইরাকের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অচলাবস্থা কাটিয়ে নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন প্রকৌশলী ও অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ নিজার আমেদি। শনিবার পার্লামেন্টের বিশেষ অধিবেশনে দ্বিতীয় দফার ভোটে ২২৭ ভোট পেয়ে তিনি বিশাল ব্যবধানে জয়ী হন। ২০০৩ সালে সাদ্দাম হোসেনের পতনের পর তিনি দেশটির ষষ্ঠ রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন। ফলাফল ঘোষণার পরপরই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেন।
৫৮ বছর বয়সী নিজার আমেদি কুর্দি দল 'প্যাট্রিয়টিক ইউনিয়ন অব কুর্দিস্তান' (পিইউকে)-এর একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা। তিনি এর আগে ইরাকের পরিবেশ মন্ত্রী এবং তিনজন প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ইরাকের রাজনৈতিক কাঠামো অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট পদটি কুর্দি সম্প্রদায়ের জন্য নির্ধারিত থাকলেও দলগুলোর অভ্যন্তরীণ কোন্দলে দীর্ঘ সময় এই নির্বাচন ঝুলে ছিল। আমেদির এই বিজয়কে দেশটির স্থিতিশীলতার পথে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
শপথ গ্রহণের পর নিজার আমেদি জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে 'ইরাক ফার্স্ট' নীতি অনুসরণের অঙ্গীকার করেন। তিনি সরকার, বিচার বিভাগ ও সংসদের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার ইচ্ছা পোষণ করেন। এছাড়া তিনি সম্প্রতি ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যকার সংঘর্ষের জেরে ইরাকের মাটিতে হওয়া হামলার তীব্র নিন্দা জানান।
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রক্রিয়া শেষ হওয়ায় এখন সবার নজর পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের দিকে। ইরাকের সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী, নতুন প্রেসিডেন্টকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পার্লামেন্টের সংখ্যাগরিষ্ঠ জোটের মনোনীত প্রার্থীকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিতে হবে। ইতিমধ্যে শিয়া রাজনৈতিক জোট সাবেক প্রধানমন্ত্রী নূরি আল-মালিকিকে এই পদের জন্য মনোনীত করেছে। নতুন প্রধানমন্ত্রীকে এরপর ৩০ দিনের মধ্যে মন্ত্রিসভা গঠন করে সংসদের আস্থা অর্জন করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন