ইরানে গত জানুয়ারি মাসে ছড়িয়ে পড়া সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময় ছদ্মবেশধারী অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের হাতে সাধারণ মানুষ হত্যার বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে ঝাড়ুদারের ছদ্মবেশে থাকা ব্যক্তি বা মুখোশধারী দলগুলো হঠাৎ আগ্নেয়াস্ত্র বের করে বিক্ষোভকারী ও পথচারীদের ওপর গুলি চালায়। বিশেষ করে কাজভিনে এক মা ও তাঁর ছেলেকে হত্যার ঘটনায় এমন অস্ত্র ব্যবহারের প্রমাণ মিলেছে, যা ইরানের নিয়মিত নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যবহৃত অস্ত্রের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
বিক্ষোভের গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মিছিলে অংশ নেওয়া একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী ইউরোপীয় ‘ব্ল্যাক ব্লক’ কৌশলে সংঘর্ষের সূচনা করেই দ্রুত অদৃশ্য হয়ে যেত। এই অপরিচিত রণকৌশল এবং সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডগুলো নিয়ে ব্যাপক রহস্য তৈরি হয়েছে। ইরানের সরকারি হিসেবে বিক্ষোভে তিন হাজার মানুষের মৃত্যু হলেও মার্কিন মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই সংখ্যা সাত হাজারের বেশি বলে দাবি করছে।
এদিকে আন্তর্জাতিক মহলে এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। ইসরায়েলের একজন সাবেক মন্ত্রী এবং গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের বিভিন্ন বক্তব্য ও সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট থেকে ইরানে তাদের লোকজনের তৎপরতা চালানোর ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এই ছদ্মবেশী হামলা এবং বিদেশি এজেন্টদের কর্মকাণ্ডকে ঘিরে জনমনে এখন নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হচ্ছে।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
ইরানে গত জানুয়ারি মাসে ছড়িয়ে পড়া সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময় ছদ্মবেশধারী অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের হাতে সাধারণ মানুষ হত্যার বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে ঝাড়ুদারের ছদ্মবেশে থাকা ব্যক্তি বা মুখোশধারী দলগুলো হঠাৎ আগ্নেয়াস্ত্র বের করে বিক্ষোভকারী ও পথচারীদের ওপর গুলি চালায়। বিশেষ করে কাজভিনে এক মা ও তাঁর ছেলেকে হত্যার ঘটনায় এমন অস্ত্র ব্যবহারের প্রমাণ মিলেছে, যা ইরানের নিয়মিত নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যবহৃত অস্ত্রের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
বিক্ষোভের গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মিছিলে অংশ নেওয়া একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী ইউরোপীয় ‘ব্ল্যাক ব্লক’ কৌশলে সংঘর্ষের সূচনা করেই দ্রুত অদৃশ্য হয়ে যেত। এই অপরিচিত রণকৌশল এবং সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডগুলো নিয়ে ব্যাপক রহস্য তৈরি হয়েছে। ইরানের সরকারি হিসেবে বিক্ষোভে তিন হাজার মানুষের মৃত্যু হলেও মার্কিন মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই সংখ্যা সাত হাজারের বেশি বলে দাবি করছে।
এদিকে আন্তর্জাতিক মহলে এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। ইসরায়েলের একজন সাবেক মন্ত্রী এবং গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের বিভিন্ন বক্তব্য ও সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট থেকে ইরানে তাদের লোকজনের তৎপরতা চালানোর ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এই ছদ্মবেশী হামলা এবং বিদেশি এজেন্টদের কর্মকাণ্ডকে ঘিরে জনমনে এখন নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন