পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বড় ধরনের রাজনৈতিক পরিবর্তন এনে জোট ছাড়াই ২৯৪টি আসনে এককভাবে লড়ছে কংগ্রেস। এই নির্বাচনি প্রচারণায় গতি আনতে এবার রাজ্যের মাটিতে সরাসরি নামছেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। আগামী ১৪ এপ্রিল মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জে বড় ধরনের জনসভার মাধ্যমে প্রচারণা শুরু করবেন রাহুল গান্ধী। বর্ষবরণের উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্যেই এই সফরের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
রাহুল গান্ধীর পরপরই ১৮ থেকে ২১ এপ্রিলের মধ্যে রাজ্যে আসতে পারেন প্রিয়াংকা গান্ধী। মালদহ, মুর্শিদাবাদ এবং পুরুলিয়া—এই তিন জেলাকে কেন্দ্র করে তাঁর একাধিক জনসভা করার পরিকল্পনা রয়েছে। মূলত শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই জেলাগুলোতে দলের হেভিওয়েট প্রার্থীদের জয় নিশ্চিত করতে এবং কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতেই শীর্ষ নেতৃত্বের এই সফর। ইতিমধ্যে অধীর চৌধুরী ও শুভঙ্কর সরকারের মতো কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা প্রচারের কৌশল নির্ধারণে একাধিক বৈঠক সম্পন্ন করেছেন।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, জোটের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে কংগ্রেস এবার নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি পুনরুদ্ধারে মরিয়া। রাহুল ও প্রিয়াংকার পাশাপাশি শচীন পাইলট এবং আজহারউদ্দিনের মতো কেন্দ্রীয় নেতাদেরও বাংলায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে এই জোরালো প্রচারণা এবং একক লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত রাজ্যের নির্বাচনি সমীকরণে নতুন কোনো মাত্রা যোগ করে কি না, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বড় ধরনের রাজনৈতিক পরিবর্তন এনে জোট ছাড়াই ২৯৪টি আসনে এককভাবে লড়ছে কংগ্রেস। এই নির্বাচনি প্রচারণায় গতি আনতে এবার রাজ্যের মাটিতে সরাসরি নামছেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। আগামী ১৪ এপ্রিল মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জে বড় ধরনের জনসভার মাধ্যমে প্রচারণা শুরু করবেন রাহুল গান্ধী। বর্ষবরণের উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্যেই এই সফরের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
রাহুল গান্ধীর পরপরই ১৮ থেকে ২১ এপ্রিলের মধ্যে রাজ্যে আসতে পারেন প্রিয়াংকা গান্ধী। মালদহ, মুর্শিদাবাদ এবং পুরুলিয়া—এই তিন জেলাকে কেন্দ্র করে তাঁর একাধিক জনসভা করার পরিকল্পনা রয়েছে। মূলত শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই জেলাগুলোতে দলের হেভিওয়েট প্রার্থীদের জয় নিশ্চিত করতে এবং কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতেই শীর্ষ নেতৃত্বের এই সফর। ইতিমধ্যে অধীর চৌধুরী ও শুভঙ্কর সরকারের মতো কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা প্রচারের কৌশল নির্ধারণে একাধিক বৈঠক সম্পন্ন করেছেন।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, জোটের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে কংগ্রেস এবার নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি পুনরুদ্ধারে মরিয়া। রাহুল ও প্রিয়াংকার পাশাপাশি শচীন পাইলট এবং আজহারউদ্দিনের মতো কেন্দ্রীয় নেতাদেরও বাংলায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে এই জোরালো প্রচারণা এবং একক লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত রাজ্যের নির্বাচনি সমীকরণে নতুন কোনো মাত্রা যোগ করে কি না, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

আপনার মতামত লিখুন