ঢাকা নিউজ

ইসলামাবাদ আলোচনা ব্যর্থ: ট্রাম্পের সামনে এখন তিনটি কঠিন বিকল্প



ইসলামাবাদ আলোচনা ব্যর্থ: ট্রাম্পের সামনে এখন তিনটি কঠিন বিকল্প
ছবি: সংগ্রহীত

ইসলামাবাদে টানা ২১ ঘণ্টার দীর্ঘ আলোচনার পর কোনো সমঝোতা ছাড়াই ফিরে গেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সামনে এখন তিনটি অত্যন্ত জটিল ও কঠিন পথ খোলা রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে ট্রাম্প নিজেই চূড়ান্ত ঘোষণা দেবেন। বর্তমানে তাঁর সামনে থাকা তিনটি প্রধান বিকল্প হলো—প্রথমত, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘমেয়াদী আলোচনার প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা; দ্বিতীয়ত, পুনরায় পূর্ণদমে যুদ্ধ শুরু করা (যা ইতিমধ্যে বিশ্বজুড়ে তীব্র জ্বালানি সংকট সৃষ্টি করেছে); এবং তৃতীয়ত, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘস্থায়ী লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়া।

মূল বিরোধের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ। ইরান একে নিজেদের অধিকার দাবি করলেও যুক্তরাষ্ট্র একে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কৌশল হিসেবে দেখছে। আগামী ২১ এপ্রিল বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। তবে পুনরায় যুদ্ধ শুরু করলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়া এবং ৩.৩ শতাংশে থাকা মূল্যস্ফীতি আরও বেড়ে যাওয়ার প্রবল ঝুঁকি রয়েছে। দুই পক্ষই নিজ নিজ অবস্থানে অনড় থাকায় এবং প্রথম দফার আলোচনায় কেউ নমনীয় না হওয়ায় আপাতত কোনো সমঝোতার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬


ইসলামাবাদ আলোচনা ব্যর্থ: ট্রাম্পের সামনে এখন তিনটি কঠিন বিকল্প

প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ইসলামাবাদে টানা ২১ ঘণ্টার দীর্ঘ আলোচনার পর কোনো সমঝোতা ছাড়াই ফিরে গেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সামনে এখন তিনটি অত্যন্ত জটিল ও কঠিন পথ খোলা রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে ট্রাম্প নিজেই চূড়ান্ত ঘোষণা দেবেন। বর্তমানে তাঁর সামনে থাকা তিনটি প্রধান বিকল্প হলো—প্রথমত, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘমেয়াদী আলোচনার প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা; দ্বিতীয়ত, পুনরায় পূর্ণদমে যুদ্ধ শুরু করা (যা ইতিমধ্যে বিশ্বজুড়ে তীব্র জ্বালানি সংকট সৃষ্টি করেছে); এবং তৃতীয়ত, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘস্থায়ী লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়া।

মূল বিরোধের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ। ইরান একে নিজেদের অধিকার দাবি করলেও যুক্তরাষ্ট্র একে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কৌশল হিসেবে দেখছে। আগামী ২১ এপ্রিল বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। তবে পুনরায় যুদ্ধ শুরু করলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়া এবং ৩.৩ শতাংশে থাকা মূল্যস্ফীতি আরও বেড়ে যাওয়ার প্রবল ঝুঁকি রয়েছে। দুই পক্ষই নিজ নিজ অবস্থানে অনড় থাকায় এবং প্রথম দফার আলোচনায় কেউ নমনীয় না হওয়ায় আপাতত কোনো সমঝোতার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ