ঢাকা নিউজ

বেশ কিছু বিষয়ে সমঝোতা হলেও গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র মতপার্থক্য কাটেনি



বেশ কিছু বিষয়ে সমঝোতা হলেও গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র মতপার্থক্য কাটেনি
ছবি: সংগ্রহীত

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক ‘ইসলামাবাদ টকস’ শেষে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, দুই দেশ বেশ কয়েকটি বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাতে পেরেছে। তবে এখনো ২-৩টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়ে গেছে। দীর্ঘ ৪০ দিনের সংঘাতের পর তৈরি হওয়া গভীর অবিশ্বাস ও সন্দেহজনক পরিস্থিতির মধ্যে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ায় প্রথম বৈঠকেই চূড়ান্ত কোনো চুক্তি হবে—এমনটা কেউ আশা করেনি বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ইসমাইল বাঘাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরও উল্লেখ করেন যে, এই কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার সাফল্য নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তরিকতা ও সদিচ্ছার ওপর। তিনি অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষকে অতিরিক্ত ও অবৈধ শর্ত আরোপ থেকে বিরত থাকতে হবে এবং ইরানের ন্যায্য অধিকার ও স্বার্থকে সম্মান জানাতে হবে।

অন্যদিকে, দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার আলোচনা শেষে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কথা হওয়াটা ইতিবাচক হলেও শেষ পর্যন্ত কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের সমঝোতার সীমারেখা নির্ধারণ করে দিলেও ইরানের প্রতিনিধি দল সেই শর্তগুলো মেনে নিতে রাজি হয়নি। মূলত দুই পক্ষের অনড় অবস্থানের কারণে ইসলামাবাদ আলোচনা কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ছাড়াই শেষ হলো।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬


বেশ কিছু বিষয়ে সমঝোতা হলেও গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র মতপার্থক্য কাটেনি

প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক ‘ইসলামাবাদ টকস’ শেষে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, দুই দেশ বেশ কয়েকটি বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাতে পেরেছে। তবে এখনো ২-৩টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়ে গেছে। দীর্ঘ ৪০ দিনের সংঘাতের পর তৈরি হওয়া গভীর অবিশ্বাস ও সন্দেহজনক পরিস্থিতির মধ্যে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ায় প্রথম বৈঠকেই চূড়ান্ত কোনো চুক্তি হবে—এমনটা কেউ আশা করেনি বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ইসমাইল বাঘাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরও উল্লেখ করেন যে, এই কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার সাফল্য নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তরিকতা ও সদিচ্ছার ওপর। তিনি অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষকে অতিরিক্ত ও অবৈধ শর্ত আরোপ থেকে বিরত থাকতে হবে এবং ইরানের ন্যায্য অধিকার ও স্বার্থকে সম্মান জানাতে হবে।

অন্যদিকে, দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার আলোচনা শেষে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কথা হওয়াটা ইতিবাচক হলেও শেষ পর্যন্ত কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের সমঝোতার সীমারেখা নির্ধারণ করে দিলেও ইরানের প্রতিনিধি দল সেই শর্তগুলো মেনে নিতে রাজি হয়নি। মূলত দুই পক্ষের অনড় অবস্থানের কারণে ইসলামাবাদ আলোচনা কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ছাড়াই শেষ হলো।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ