ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিওন সার লেবাননের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য সরাসরি হিজবুল্লাহকে দায়ী করেছেন। মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে দুই দেশের কর্মকর্তাদের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের আগে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে প্রকৃতপক্ষে বড় কোনো বিরোধ নেই, বরং হিজবুল্লাহই দুই দেশের সম্পর্কের প্রধান অন্তরায়।
গিডিওন সারের মতে, ইসরাইল লেবাননের সাথে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি এবং সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে আগ্রহী। তিনি দাবি করেন, হিজবুল্লাহর কর্মকাণ্ড শুধু ইসরাইলের নিরাপত্তার জন্যই হুমকি নয়, এটি লেবাননের সার্বভৌমত্বের জন্যও একটি বিশাল সমস্যা। তার ভাষ্যমতে, এই সশস্ত্র গোষ্ঠীটি দুই দেশের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পথে একমাত্র বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিতব্য এই বৈঠকটিকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। কারণ ১৯৯৩ সালের পর এই প্রথমবারের মতো দুই দেশ সরাসরি আলোচনায় বসতে যাচ্ছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র নিযুক্ত ইসরাইল ও লেবাননের রাষ্ট্রদূতরা উপস্থিত থাকবেন।
গত মার্চের শুরু থেকে লেবাননে ইসরাইলি হামলায় দুই হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এবং ১০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। এই ভয়াবহ মানবিক সংকটের মধ্যেই কূটনৈতিক আলোচনার এই নতুন উদ্যোগটি মধ্যপ্রাচ্যে কোনো সমাধানের পথ দেখায় কি না, সেদিকেই এখন সবার নজর।

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিওন সার লেবাননের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য সরাসরি হিজবুল্লাহকে দায়ী করেছেন। মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে দুই দেশের কর্মকর্তাদের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের আগে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে প্রকৃতপক্ষে বড় কোনো বিরোধ নেই, বরং হিজবুল্লাহই দুই দেশের সম্পর্কের প্রধান অন্তরায়।
গিডিওন সারের মতে, ইসরাইল লেবাননের সাথে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি এবং সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে আগ্রহী। তিনি দাবি করেন, হিজবুল্লাহর কর্মকাণ্ড শুধু ইসরাইলের নিরাপত্তার জন্যই হুমকি নয়, এটি লেবাননের সার্বভৌমত্বের জন্যও একটি বিশাল সমস্যা। তার ভাষ্যমতে, এই সশস্ত্র গোষ্ঠীটি দুই দেশের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পথে একমাত্র বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিতব্য এই বৈঠকটিকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। কারণ ১৯৯৩ সালের পর এই প্রথমবারের মতো দুই দেশ সরাসরি আলোচনায় বসতে যাচ্ছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র নিযুক্ত ইসরাইল ও লেবাননের রাষ্ট্রদূতরা উপস্থিত থাকবেন।
গত মার্চের শুরু থেকে লেবাননে ইসরাইলি হামলায় দুই হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এবং ১০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। এই ভয়াবহ মানবিক সংকটের মধ্যেই কূটনৈতিক আলোচনার এই নতুন উদ্যোগটি মধ্যপ্রাচ্যে কোনো সমাধানের পথ দেখায় কি না, সেদিকেই এখন সবার নজর।

আপনার মতামত লিখুন