মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বন্ধে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় নিজেদের অবস্থান ও শর্তগুলো অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, আলোচনার পর এখন পদক্ষেপ নেওয়ার পালা তেহরানের এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার সম্পূর্ণ তাদের ওপরই ন্যস্ত।
চলতি সপ্তাহে পাকিস্তানে মার্কিন প্রতিনিধি দল ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করলেও পাঁচ সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলি হামলা বন্ধে কোনো চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। ভ্যান্স জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুটি বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় না দেওয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থান গ্রহণ করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান শর্তগুলোর মধ্যে প্রথমটি হলো ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ওপর মার্কিন নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা। দ্বিতীয়ত, ভবিষ্যতে ইরান যেন কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করার জন্য একটি শক্তিশালী ও কার্যকর আন্তর্জাতিক যাচাই প্রক্রিয়া বা তদারকি ব্যবস্থা কার্যকর করা।
জেডি ভ্যান্সের মতে, ইরান মৌখিকভাবে পারমাণবিক অস্ত্র না বানানোর কথা বললেও বাস্তবে তার প্রতিফলন নিশ্চিত করতে চায় ওয়াশিংটন। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র তার ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে এবং এখন ইরানকেই পরবর্তী করণীয় ঠিক করতে হবে।
এছাড়া গত সপ্তাহে হওয়া দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির বিনিময়ে ইরান যেন কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে খুলে দেয়, সে বিষয়েও আশা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি কার্যত তেহরানের বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকায় তা বন্ধ হয়ে রয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বন্ধে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় নিজেদের অবস্থান ও শর্তগুলো অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, আলোচনার পর এখন পদক্ষেপ নেওয়ার পালা তেহরানের এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার সম্পূর্ণ তাদের ওপরই ন্যস্ত।
চলতি সপ্তাহে পাকিস্তানে মার্কিন প্রতিনিধি দল ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করলেও পাঁচ সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলি হামলা বন্ধে কোনো চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। ভ্যান্স জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুটি বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় না দেওয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থান গ্রহণ করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান শর্তগুলোর মধ্যে প্রথমটি হলো ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ওপর মার্কিন নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা। দ্বিতীয়ত, ভবিষ্যতে ইরান যেন কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করার জন্য একটি শক্তিশালী ও কার্যকর আন্তর্জাতিক যাচাই প্রক্রিয়া বা তদারকি ব্যবস্থা কার্যকর করা।
জেডি ভ্যান্সের মতে, ইরান মৌখিকভাবে পারমাণবিক অস্ত্র না বানানোর কথা বললেও বাস্তবে তার প্রতিফলন নিশ্চিত করতে চায় ওয়াশিংটন। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র তার ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে এবং এখন ইরানকেই পরবর্তী করণীয় ঠিক করতে হবে।
এছাড়া গত সপ্তাহে হওয়া দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির বিনিময়ে ইরান যেন কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে খুলে দেয়, সে বিষয়েও আশা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি কার্যত তেহরানের বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকায় তা বন্ধ হয়ে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন