যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি এবং ইরানের বন্দর অবরোধের পদক্ষেপকে ‘বিপজ্জনক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ’ বলে কঠোর সমালোচনা করেছে চীন। মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুয়ো জিয়াকুন এই মন্তব্য করেন।
মুখপাত্র গুয়ো জিয়াকুন বলেন, হরমুজ প্রণালি ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের এই ধরনের সামরিক পদক্ষেপ শুধু আঞ্চলিক উত্তেজনাই বাড়াবে না, বরং আগে থেকেই নাজুক হয়ে থাকা যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে আরও দুর্বল করে দেবে। তিনি মনে করেন, ওয়াশিংটনের এই অবস্থান হরমুজ প্রণালি দিয়ে আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচলের নিরাপত্তাকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।
উল্লেখ্য, গত সোমবার থেকে হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবরোধ শুরু হয়েছে। তবে এই অবরোধের মধ্যেই মঙ্গলবার মার্কিন নৌবাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে চীনের একটি তেলের ট্যাংকার সফলভাবে হরমুজ প্রণালি পার হয়েছে। জাহাজ চলাচল সংক্রান্ত তথ্য প্রদানকারী সংস্থা ‘মেরিন ট্রাফিক’ ও ‘কেপলার’ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
চীনের পক্ষ থেকে সতর্ক করা হয়েছে যে, সামরিক অবরোধের মাধ্যমে সংকট সমাধানের চেষ্টা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। বেইজিং মনে করে, এই ধরনের একতরফা পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন ও স্থিতিশীলতার পরিপন্থী।

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি এবং ইরানের বন্দর অবরোধের পদক্ষেপকে ‘বিপজ্জনক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ’ বলে কঠোর সমালোচনা করেছে চীন। মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুয়ো জিয়াকুন এই মন্তব্য করেন।
মুখপাত্র গুয়ো জিয়াকুন বলেন, হরমুজ প্রণালি ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের এই ধরনের সামরিক পদক্ষেপ শুধু আঞ্চলিক উত্তেজনাই বাড়াবে না, বরং আগে থেকেই নাজুক হয়ে থাকা যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে আরও দুর্বল করে দেবে। তিনি মনে করেন, ওয়াশিংটনের এই অবস্থান হরমুজ প্রণালি দিয়ে আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচলের নিরাপত্তাকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।
উল্লেখ্য, গত সোমবার থেকে হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবরোধ শুরু হয়েছে। তবে এই অবরোধের মধ্যেই মঙ্গলবার মার্কিন নৌবাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে চীনের একটি তেলের ট্যাংকার সফলভাবে হরমুজ প্রণালি পার হয়েছে। জাহাজ চলাচল সংক্রান্ত তথ্য প্রদানকারী সংস্থা ‘মেরিন ট্রাফিক’ ও ‘কেপলার’ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
চীনের পক্ষ থেকে সতর্ক করা হয়েছে যে, সামরিক অবরোধের মাধ্যমে সংকট সমাধানের চেষ্টা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। বেইজিং মনে করে, এই ধরনের একতরফা পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন ও স্থিতিশীলতার পরিপন্থী।

আপনার মতামত লিখুন