ঢাকা নিউজ

আন্তর্জাতিক আইন নিয়ে দ্বিমুখী নীতি বর্জনের আহ্বান জানালেন শি জিনপিং



আন্তর্জাতিক আইন নিয়ে দ্বিমুখী নীতি বর্জনের আহ্বান জানালেন শি জিনপিং
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে চীন ‘গঠনমূলক ভূমিকা’ রাখবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। মঙ্গলবার বেইজিংয়ে আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি বলেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে বিভিন্ন দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান জানানো এখন সময়ের দাবি।

শি জিনপিং জোর দিয়ে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে আন্তরিকভাবে সম্মান জানাতে হবে। আন্তর্জাতিক আইনের শাসন রক্ষা করার অর্থ হলো দ্বিমুখী নীতি পরিহার করা। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘যখন সুবিধা হবে তখন ব্যবহার, না হলে উপেক্ষা’—এমন সুবিধাবাদী অবস্থান থেকে সরে আসতে হবে।

সম্প্রতি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হওয়ার প্রেক্ষাপটে শি জিনপিংয়ের এই মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। অন্যদিকে, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স মন্তব্য করেছেন যে, যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব এখন সম্পূর্ণভাবে ইরানের ওপর।

বর্তমানে ভিয়েতনামের নেতা টো লাম এবং রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ চীন সফরে রয়েছেন। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ল্যাভরভ ও চীনের শীর্ষ কূটনীতিক ওয়াং ই মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রশমনে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে একমত হয়েছেন।

এছাড়া স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজও বর্তমানে বেইজিং সফর করছেন। মূলত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য নিয়ে এই সফর হলেও, তিনি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় চীনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেছেন। সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে বেইজিংয়ের কূটনৈতিক তৎপরতা এখন তুঙ্গে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬


আন্তর্জাতিক আইন নিয়ে দ্বিমুখী নীতি বর্জনের আহ্বান জানালেন শি জিনপিং

প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে চীন ‘গঠনমূলক ভূমিকা’ রাখবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। মঙ্গলবার বেইজিংয়ে আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি বলেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে বিভিন্ন দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান জানানো এখন সময়ের দাবি।

শি জিনপিং জোর দিয়ে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে আন্তরিকভাবে সম্মান জানাতে হবে। আন্তর্জাতিক আইনের শাসন রক্ষা করার অর্থ হলো দ্বিমুখী নীতি পরিহার করা। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘যখন সুবিধা হবে তখন ব্যবহার, না হলে উপেক্ষা’—এমন সুবিধাবাদী অবস্থান থেকে সরে আসতে হবে।

সম্প্রতি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হওয়ার প্রেক্ষাপটে শি জিনপিংয়ের এই মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। অন্যদিকে, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স মন্তব্য করেছেন যে, যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব এখন সম্পূর্ণভাবে ইরানের ওপর।

বর্তমানে ভিয়েতনামের নেতা টো লাম এবং রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ চীন সফরে রয়েছেন। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ল্যাভরভ ও চীনের শীর্ষ কূটনীতিক ওয়াং ই মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রশমনে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে একমত হয়েছেন।

এছাড়া স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজও বর্তমানে বেইজিং সফর করছেন। মূলত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য নিয়ে এই সফর হলেও, তিনি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় চীনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেছেন। সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে বেইজিংয়ের কূটনৈতিক তৎপরতা এখন তুঙ্গে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ