পুরনো বছরের জীর্ণতা ও শোককে বিদায় জানিয়ে নোয়াখালীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ। হাজার বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে নতুন প্রাণস্পন্দনে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে বরণ করে নিতে মঙ্গলবার সকালে জেলা শহরে বৈশাখী শোভাযাত্রা ও লোকজ শিল্পমেলার আয়োজন করা হয়।
জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হওয়া বিশেষ শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রা পরবর্তী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে লোকজ শিল্পমেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
এ আয়োজনে পুলিশ সুপার, জেলা পরিষদের প্রশাসক, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালকসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ছাড়াও সর্বস্তরের মানুষ এই উৎসবে স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগ দেন।
শোভাযাত্রা ও উদ্বোধনী পর্ব শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আমন্ত্রিত অতিথি ও সাধারণ দর্শনার্থীরা সেখানে স্থানীয় লোকজ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যবাহী পরিবেশনাগুলো উপভোগ করেন।

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
পুরনো বছরের জীর্ণতা ও শোককে বিদায় জানিয়ে নোয়াখালীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ। হাজার বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে নতুন প্রাণস্পন্দনে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে বরণ করে নিতে মঙ্গলবার সকালে জেলা শহরে বৈশাখী শোভাযাত্রা ও লোকজ শিল্পমেলার আয়োজন করা হয়।
জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হওয়া বিশেষ শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রা পরবর্তী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে লোকজ শিল্পমেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
এ আয়োজনে পুলিশ সুপার, জেলা পরিষদের প্রশাসক, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালকসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ছাড়াও সর্বস্তরের মানুষ এই উৎসবে স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগ দেন।
শোভাযাত্রা ও উদ্বোধনী পর্ব শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আমন্ত্রিত অতিথি ও সাধারণ দর্শনার্থীরা সেখানে স্থানীয় লোকজ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যবাহী পরিবেশনাগুলো উপভোগ করেন।

আপনার মতামত লিখুন