হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়াই একটি বড় ধরনের ‘যুদ্ধ-পরবর্তী পরিকল্পনা’ গ্রহণ করছে ইউরোপীয় দেশগুলো। সম্প্রতি ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর এক প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়েছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উত্তেজনার কারণে বিশ্ব বাণিজ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি অস্থিতিশীল হয়ে পড়ায় ইউরোপ এই বিকল্প উদ্যোগ নিচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউরোপীয় দেশগুলো একটি বিশাল আন্তর্জাতিক জোট গঠনের চেষ্টা করছে, যারা যুদ্ধের পরবর্তী সময়ে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। তবে এই জোটের বিশেষত্ব হলো, এতে আপাতত যুক্তরাষ্ট্রকে অন্তর্ভুক্ত না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মূলত সংঘাত এড়াতে এবং পথটিকে নিরপেক্ষ রাখতে এই কৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এই পরিকল্পনা সম্পর্কে জানিয়েছেন যে, প্রস্তাবিত মিশনটি হবে একটি ‘আন্তর্জাতিক রক্ষণাত্মক মিশন’। এই মিশনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো—এতে কোনো ‘যুদ্ধরত পক্ষকে’ রাখা হবে না। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল এবং ইরান এই জোটের অংশ হতে পারবে না।
বিশ্বের মোট তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের একটি বড় অংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হওয়ায় হরমুজ প্রণালির স্থিতিশীলতা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অপরিহার্য। ইউরোপীয় দেশগুলোর এই মিশন সফল হলে তা মধ্যপ্রাচ্যের জলপথে বাণিজ্যিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি নতুন কূটনৈতিক ও সামরিক সমীকরণ তৈরি করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়াই একটি বড় ধরনের ‘যুদ্ধ-পরবর্তী পরিকল্পনা’ গ্রহণ করছে ইউরোপীয় দেশগুলো। সম্প্রতি ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর এক প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়েছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উত্তেজনার কারণে বিশ্ব বাণিজ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি অস্থিতিশীল হয়ে পড়ায় ইউরোপ এই বিকল্প উদ্যোগ নিচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউরোপীয় দেশগুলো একটি বিশাল আন্তর্জাতিক জোট গঠনের চেষ্টা করছে, যারা যুদ্ধের পরবর্তী সময়ে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। তবে এই জোটের বিশেষত্ব হলো, এতে আপাতত যুক্তরাষ্ট্রকে অন্তর্ভুক্ত না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মূলত সংঘাত এড়াতে এবং পথটিকে নিরপেক্ষ রাখতে এই কৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এই পরিকল্পনা সম্পর্কে জানিয়েছেন যে, প্রস্তাবিত মিশনটি হবে একটি ‘আন্তর্জাতিক রক্ষণাত্মক মিশন’। এই মিশনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো—এতে কোনো ‘যুদ্ধরত পক্ষকে’ রাখা হবে না। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল এবং ইরান এই জোটের অংশ হতে পারবে না।
বিশ্বের মোট তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের একটি বড় অংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হওয়ায় হরমুজ প্রণালির স্থিতিশীলতা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অপরিহার্য। ইউরোপীয় দেশগুলোর এই মিশন সফল হলে তা মধ্যপ্রাচ্যের জলপথে বাণিজ্যিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি নতুন কূটনৈতিক ও সামরিক সমীকরণ তৈরি করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন