মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ফেরানোর লক্ষ্যে এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে ইসরাইল ও লেবানন। যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত একটি ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের পর দুই দেশ নিজেদের মধ্যে সরাসরি আলোচনা শুরু করতে সম্মত হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এই তথ্য নিশ্চিত করে একটি 'পূর্ণাঙ্গ শান্তি চুক্তি'র বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঞ্চালনায় এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা হামাদেহ এবং ইসরাইলি রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লেইটার অংশ নেন। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট এক বিবৃতিতে জানান, উভয় পক্ষই একটি নির্দিষ্ট সময় ও স্থানে সরাসরি সংলাপে বসতে একমত হয়েছে। ইসরাইল মনে করে, সরাসরি আলোচনার মাধ্যমেই দুই দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব। বিশেষ করে লেবাননের অভ্যন্তরে সশস্ত্র গোষ্ঠীদের নিরস্ত্র করা এবং উগ্রবাদী অবকাঠামো ধ্বংস করার বিষয়ে ইসরাইল তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে।
অন্যদিকে, লেবানন তাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার ওপর সর্বোচ্চ জোর দিয়েছে। দেশটি অবিলম্বে কার্যকর যুদ্ধবিরতি এবং ২০২৪ সালের চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি লেবাননে চলমান ভয়াবহ মানবিক সংকট দূর করতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর আশা করছে, এবারের আলোচনা ২০২৪ সালের চুক্তির চেয়েও বড় পরিসরে হবে এবং একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তি বয়ে আনবে।
উল্লেখ্য, দক্ষিণ লেবাননে সংঘাত যখন তীব্র আকার ধারণ করেছে, ঠিক তখনই এই কূটনৈতিক উদ্যোগের ঘোষণা এলো। এই সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে সংঘাতের অবসান ঘটবে এবং বাস্তুচ্যুত লাখো মানুষের ঘরে ফেরার পথ সুগম হবে কি না, এখন সেটিই দেখার বিষয়। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে এই দ্বিপাক্ষিক সমঝোতাকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ফেরানোর লক্ষ্যে এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে ইসরাইল ও লেবানন। যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত একটি ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের পর দুই দেশ নিজেদের মধ্যে সরাসরি আলোচনা শুরু করতে সম্মত হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এই তথ্য নিশ্চিত করে একটি 'পূর্ণাঙ্গ শান্তি চুক্তি'র বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঞ্চালনায় এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা হামাদেহ এবং ইসরাইলি রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লেইটার অংশ নেন। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট এক বিবৃতিতে জানান, উভয় পক্ষই একটি নির্দিষ্ট সময় ও স্থানে সরাসরি সংলাপে বসতে একমত হয়েছে। ইসরাইল মনে করে, সরাসরি আলোচনার মাধ্যমেই দুই দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব। বিশেষ করে লেবাননের অভ্যন্তরে সশস্ত্র গোষ্ঠীদের নিরস্ত্র করা এবং উগ্রবাদী অবকাঠামো ধ্বংস করার বিষয়ে ইসরাইল তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে।
অন্যদিকে, লেবানন তাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার ওপর সর্বোচ্চ জোর দিয়েছে। দেশটি অবিলম্বে কার্যকর যুদ্ধবিরতি এবং ২০২৪ সালের চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি লেবাননে চলমান ভয়াবহ মানবিক সংকট দূর করতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর আশা করছে, এবারের আলোচনা ২০২৪ সালের চুক্তির চেয়েও বড় পরিসরে হবে এবং একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তি বয়ে আনবে।
উল্লেখ্য, দক্ষিণ লেবাননে সংঘাত যখন তীব্র আকার ধারণ করেছে, ঠিক তখনই এই কূটনৈতিক উদ্যোগের ঘোষণা এলো। এই সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে সংঘাতের অবসান ঘটবে এবং বাস্তুচ্যুত লাখো মানুষের ঘরে ফেরার পথ সুগম হবে কি না, এখন সেটিই দেখার বিষয়। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে এই দ্বিপাক্ষিক সমঝোতাকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন