ইরানের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ নৌ অবরোধ কার্যকর করার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে ‘সমুদ্র আধিপত্য’ প্রতিষ্ঠার দাবি করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। বুধবার এক বিবৃতিতে সেন্টকম কমান্ডার ব্র্যাড কুপার জানান, অবরোধ শুরুর মাত্র ৩৬ ঘণ্টার মধ্যেই মার্কিন বাহিনী ইরানের সব বন্দরগামী ও বহির্গামী সামুদ্রিক বাণিজ্য কার্যত বন্ধ করে দিতে সক্ষম হয়েছে। কুপার উল্লেখ করেন, ইরানের অর্থনীতির প্রায় ৯০ শতাংশই সমুদ্রপথের বাণিজ্যের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এই পদক্ষেপ তেহরানের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় ধরনের স্থবিরতা নিয়ে এসেছে।
সেন্টকমের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মার্কিন নৌবাহিনীর গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ারগুলো বর্তমানে সক্রিয়ভাবে এই অবরোধ বাস্তবায়ন করছে। ইরানের বন্দর বা উপকূলীয় এলাকায় প্রবেশ অথবা সেখান থেকে বের হওয়া সব দেশের জাহাজের ক্ষেত্রেই সমানভাবে এই কড়া নিয়ম মানা হচ্ছে। প্রতিটি ডেস্ট্রয়ারে থাকা ৩০০-এর বেশি উচ্চ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নাবিক এই আক্রমণাত্মক ও প্রতিরক্ষামূলক সামুদ্রিক অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
এই বিশাল অভিযানে ১০ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা—যাদের মধ্যে নৌসেনা, মেরিন ও বিমানবাহিনীর সদস্যরা রয়েছেন—অংশ নিয়েছেন। তাদের সহায়তায় এক ডজনেরও বেশি যুদ্ধজাহাজ এবং অসংখ্য যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে। সেন্টকমের দাবি অনুযায়ী, অভিযান শুরুর প্রথম ২৪ ঘণ্টায় কোনো জাহাজই এই অবরোধ ভাঙতে পারেনি এবং ছয়টি বাণিজ্যিক জাহাজ মার্কিন নির্দেশনা মেনে ওমান উপসাগরের ইরানি বন্দরে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে।
বর্তমানে পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগর সংলগ্ন ইরানের সব বন্দরে এই অবরোধ কার্যকর থাকলেও সেন্টকম জানিয়েছে, অ-ইরানি বন্দরগুলোর জন্য হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা বজায় রাখতে তারা সহায়তা করছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই কঠোর পদক্ষেপ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তোজনায় নতুন ও অত্যন্ত শক্তিশালী মাত্রা যোগ করেছে, যা বিশ্ব বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ নৌ অবরোধ কার্যকর করার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে ‘সমুদ্র আধিপত্য’ প্রতিষ্ঠার দাবি করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। বুধবার এক বিবৃতিতে সেন্টকম কমান্ডার ব্র্যাড কুপার জানান, অবরোধ শুরুর মাত্র ৩৬ ঘণ্টার মধ্যেই মার্কিন বাহিনী ইরানের সব বন্দরগামী ও বহির্গামী সামুদ্রিক বাণিজ্য কার্যত বন্ধ করে দিতে সক্ষম হয়েছে। কুপার উল্লেখ করেন, ইরানের অর্থনীতির প্রায় ৯০ শতাংশই সমুদ্রপথের বাণিজ্যের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এই পদক্ষেপ তেহরানের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় ধরনের স্থবিরতা নিয়ে এসেছে।
সেন্টকমের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মার্কিন নৌবাহিনীর গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ারগুলো বর্তমানে সক্রিয়ভাবে এই অবরোধ বাস্তবায়ন করছে। ইরানের বন্দর বা উপকূলীয় এলাকায় প্রবেশ অথবা সেখান থেকে বের হওয়া সব দেশের জাহাজের ক্ষেত্রেই সমানভাবে এই কড়া নিয়ম মানা হচ্ছে। প্রতিটি ডেস্ট্রয়ারে থাকা ৩০০-এর বেশি উচ্চ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নাবিক এই আক্রমণাত্মক ও প্রতিরক্ষামূলক সামুদ্রিক অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
এই বিশাল অভিযানে ১০ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা—যাদের মধ্যে নৌসেনা, মেরিন ও বিমানবাহিনীর সদস্যরা রয়েছেন—অংশ নিয়েছেন। তাদের সহায়তায় এক ডজনেরও বেশি যুদ্ধজাহাজ এবং অসংখ্য যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে। সেন্টকমের দাবি অনুযায়ী, অভিযান শুরুর প্রথম ২৪ ঘণ্টায় কোনো জাহাজই এই অবরোধ ভাঙতে পারেনি এবং ছয়টি বাণিজ্যিক জাহাজ মার্কিন নির্দেশনা মেনে ওমান উপসাগরের ইরানি বন্দরে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে।
বর্তমানে পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগর সংলগ্ন ইরানের সব বন্দরে এই অবরোধ কার্যকর থাকলেও সেন্টকম জানিয়েছে, অ-ইরানি বন্দরগুলোর জন্য হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা বজায় রাখতে তারা সহায়তা করছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই কঠোর পদক্ষেপ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তোজনায় নতুন ও অত্যন্ত শক্তিশালী মাত্রা যোগ করেছে, যা বিশ্ব বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন