ইরানের রাজধানী তেহরানে শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল বিরোধী এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘ইরানের নিবেদিতপ্রাণ কন্যারা’ শীর্ষক এই র্যালিতে হাজার হাজার নারী ও তরুণী অংশ নেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর থেকে ইরানজুড়ে সরকারপন্থীদের এমন বিক্ষোভ এখন নিয়মিত চিত্রে পরিণত হয়েছে।
সিএনএন ও দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্যানুযায়ী, বিক্ষোভকারী নারীরা হাতে বন্দুক ও জাতীয় পতাকা নিয়ে রাজপথে স্লোগান দেন। তারা মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সম্ভাব্য আগ্রাসনের বিরুদ্ধে নিজেদের কঠোর অবস্থানের জানান দিতেই এই সশস্ত্র অবস্থান নেন। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া নারীরা জানিয়েছেন, যেকোনো হুমকির মোকাবিলায় তারা প্রস্তুত এবং নেতৃত্বের নির্দেশ অনুযায়ী তারা প্রতিটি পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
এই বিক্ষোভ এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হলো যখন যুদ্ধ থামাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান নতুন করে আলোচনার কথা ভাবছে। তবে রাজপথের এই উত্তাপ ও সাধারণ মানুষের চরম ক্ষোভ আলোচনার টেবিলে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সমাবেশগুলো মূলত রাষ্ট্রের সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত হচ্ছে।
উল্লেখ্য, খামেনির মৃত্যুর পর থেকে ইরানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল হয়ে উঠেছে। একদিকে সরকারপন্থীদের রাজপথ দখল এবং অন্যদিকে ভিন্নমতাবলম্বীদের ওপর দমন-পীড়ন—সব মিলিয়ে দেশটি এখন এক অস্থির সময় পার করছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, দেশটিতে গত কয়েক মাসে রাজনৈতিক অস্থিরতায় অসংখ্য মানুষ হতাহত ও আটকের শিকার হয়েছেন।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের রাজধানী তেহরানে শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল বিরোধী এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘ইরানের নিবেদিতপ্রাণ কন্যারা’ শীর্ষক এই র্যালিতে হাজার হাজার নারী ও তরুণী অংশ নেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর থেকে ইরানজুড়ে সরকারপন্থীদের এমন বিক্ষোভ এখন নিয়মিত চিত্রে পরিণত হয়েছে।
সিএনএন ও দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্যানুযায়ী, বিক্ষোভকারী নারীরা হাতে বন্দুক ও জাতীয় পতাকা নিয়ে রাজপথে স্লোগান দেন। তারা মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সম্ভাব্য আগ্রাসনের বিরুদ্ধে নিজেদের কঠোর অবস্থানের জানান দিতেই এই সশস্ত্র অবস্থান নেন। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া নারীরা জানিয়েছেন, যেকোনো হুমকির মোকাবিলায় তারা প্রস্তুত এবং নেতৃত্বের নির্দেশ অনুযায়ী তারা প্রতিটি পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
এই বিক্ষোভ এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হলো যখন যুদ্ধ থামাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান নতুন করে আলোচনার কথা ভাবছে। তবে রাজপথের এই উত্তাপ ও সাধারণ মানুষের চরম ক্ষোভ আলোচনার টেবিলে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সমাবেশগুলো মূলত রাষ্ট্রের সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত হচ্ছে।
উল্লেখ্য, খামেনির মৃত্যুর পর থেকে ইরানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল হয়ে উঠেছে। একদিকে সরকারপন্থীদের রাজপথ দখল এবং অন্যদিকে ভিন্নমতাবলম্বীদের ওপর দমন-পীড়ন—সব মিলিয়ে দেশটি এখন এক অস্থির সময় পার করছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, দেশটিতে গত কয়েক মাসে রাজনৈতিক অস্থিরতায় অসংখ্য মানুষ হতাহত ও আটকের শিকার হয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন