যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে দ্বিতীয় দফার সরাসরি আলোচনা আগামী বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যেই দুই দেশ কূটনৈতিক সংলাপ এগিয়ে নিতে আগ্রহ প্রকাশ করায় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। গত সপ্তাহে হিজবুল্লাহ ও ইসরাইলের মধ্যে কার্যকর হওয়া একটি নাজুক যুদ্ধবিরতির পর এটিই হতে যাচ্ছে দুই দেশের মধ্যে প্রথম আনুষ্ঠানিক আলোচনা।
এর আগে গত ১৪ এপ্রিল শুরু হওয়া প্রথম দফার সংলাপকে ‘গঠনমূলক’ বলে অভিহিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে সৎ ও ইতিবাচক আলোচনার পরিবেশ তৈরিতে তারা মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ চালিয়ে যাবেন। প্রথম দফার ওই বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা হামাদেহ এবং ইসরাইলের রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লাইটারের পাশাপাশি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও উপস্থিত ছিলেন।
দীর্ঘ কয়েক দশকের মধ্যে দুই দেশের কর্মকর্তাদের এই মুখোমুখি হওয়া নিয়ে লেবাননের অভ্যন্তরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এক ভাষণে জানান, তার সরকার আলোচনার পথেই এগোবে এবং এই সিদ্ধান্ত কোনো দুর্বলতা বা পিছু হটা নয়, বরং দেশের অধিকার রক্ষা ও জনগণের কল্যাণের জন্যই নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, হিজবুল্লাহ প্রধান নাঈম কাসেম এই আলোচনার তীব্র বিরোধিতা করেছেন। তিনি এই উদ্যোগকে পরাজয়মূলক ও ফলহীন হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, দখলদার ইসরাইলের সঙ্গে কোনো আলোচনা তারা গ্রহণ করবেন না। হিজবুল্লাহর মতে, এই পথে হাঁটার আগে লেবাননের অভ্যন্তরীণ ঐক্য নিশ্চিত করা প্রয়োজন ছিল যা এখনও সম্ভব হয়নি।

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে দ্বিতীয় দফার সরাসরি আলোচনা আগামী বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যেই দুই দেশ কূটনৈতিক সংলাপ এগিয়ে নিতে আগ্রহ প্রকাশ করায় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। গত সপ্তাহে হিজবুল্লাহ ও ইসরাইলের মধ্যে কার্যকর হওয়া একটি নাজুক যুদ্ধবিরতির পর এটিই হতে যাচ্ছে দুই দেশের মধ্যে প্রথম আনুষ্ঠানিক আলোচনা।
এর আগে গত ১৪ এপ্রিল শুরু হওয়া প্রথম দফার সংলাপকে ‘গঠনমূলক’ বলে অভিহিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে সৎ ও ইতিবাচক আলোচনার পরিবেশ তৈরিতে তারা মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ চালিয়ে যাবেন। প্রথম দফার ওই বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা হামাদেহ এবং ইসরাইলের রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লাইটারের পাশাপাশি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও উপস্থিত ছিলেন।
দীর্ঘ কয়েক দশকের মধ্যে দুই দেশের কর্মকর্তাদের এই মুখোমুখি হওয়া নিয়ে লেবাননের অভ্যন্তরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এক ভাষণে জানান, তার সরকার আলোচনার পথেই এগোবে এবং এই সিদ্ধান্ত কোনো দুর্বলতা বা পিছু হটা নয়, বরং দেশের অধিকার রক্ষা ও জনগণের কল্যাণের জন্যই নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, হিজবুল্লাহ প্রধান নাঈম কাসেম এই আলোচনার তীব্র বিরোধিতা করেছেন। তিনি এই উদ্যোগকে পরাজয়মূলক ও ফলহীন হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, দখলদার ইসরাইলের সঙ্গে কোনো আলোচনা তারা গ্রহণ করবেন না। হিজবুল্লাহর মতে, এই পথে হাঁটার আগে লেবাননের অভ্যন্তরীণ ঐক্য নিশ্চিত করা প্রয়োজন ছিল যা এখনও সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন