কুমিল্লার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কোটবাড়ি এলাকায় আইরিশ হোটেলের পাশ থেকে বুলেট বৈরাগী (৩৮) নামের এক কাস্টমস কর্মকর্তার রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে হাইওয়ে পুলিশ। শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে চট্টগ্রামমুখী লেনে লাশটি পড়ে থাকতে দেখা যায়। নিহত বুলেট বৈরাগী গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার বাসিন্দা এবং ৪১তম বিসিএস নন-ক্যাডার পদে কর্মরত ছিলেন। চাকরির সুবাদে তিনি কুমিল্লার রাজগঞ্জ পানপট্টি এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে বুলেট বৈরাগী চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী একটি বাসে ওঠেন এবং রাত আড়াইটার দিকে পরিবারের সঙ্গে তাঁর শেষ কথা হয়। সে সময় তিনি পদুয়ার বাজার এলাকায় নেমে রাজগঞ্জের বাসায় যাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। তবে এরপর থেকে তাঁর মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরিবারের দাবি, রাত আড়াইটার পর তাঁর ফোনে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা একাধিকবার যোগাযোগ করেছিল।
ময়নামতি হাইওয়ে ক্রসিং থানার ওসি মমিনুল হক জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে এটি একটি হত্যাকাণ্ড। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। বর্তমানে পুলিশ পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
কুমিল্লার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কোটবাড়ি এলাকায় আইরিশ হোটেলের পাশ থেকে বুলেট বৈরাগী (৩৮) নামের এক কাস্টমস কর্মকর্তার রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে হাইওয়ে পুলিশ। শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে চট্টগ্রামমুখী লেনে লাশটি পড়ে থাকতে দেখা যায়। নিহত বুলেট বৈরাগী গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার বাসিন্দা এবং ৪১তম বিসিএস নন-ক্যাডার পদে কর্মরত ছিলেন। চাকরির সুবাদে তিনি কুমিল্লার রাজগঞ্জ পানপট্টি এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে বুলেট বৈরাগী চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী একটি বাসে ওঠেন এবং রাত আড়াইটার দিকে পরিবারের সঙ্গে তাঁর শেষ কথা হয়। সে সময় তিনি পদুয়ার বাজার এলাকায় নেমে রাজগঞ্জের বাসায় যাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। তবে এরপর থেকে তাঁর মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরিবারের দাবি, রাত আড়াইটার পর তাঁর ফোনে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা একাধিকবার যোগাযোগ করেছিল।
ময়নামতি হাইওয়ে ক্রসিং থানার ওসি মমিনুল হক জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে এটি একটি হত্যাকাণ্ড। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। বর্তমানে পুলিশ পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে।

আপনার মতামত লিখুন