ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিরসনে পাকিস্তানের কূটনৈতিক ভূমিকা নিয়ে গভীর সন্দেহ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এইচ. আর. ম্যাকমাস্টার। পাকিস্তানকে চীনের একটি ‘প্রভাবাধীন রাষ্ট্র’ বা ‘ক্লায়েন্ট’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি সতর্ক করেছেন যে, তাদের এই মধ্যস্থতা প্রচেষ্টার পেছনে কোনো ‘গোপন উদ্দেশ্য’ থাকতে পারে। একটি বিদেশি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এই আশঙ্কার কথা জানান।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে দায়িত্ব পালন করা এই সাবেক কর্মকর্তা জানান, চীনা কমিউনিস্ট পার্টির স্বার্থ ইরানের বর্তমান সরকারকে টিকিয়ে রাখার সঙ্গে সরাসরি জড়িত। ম্যাকমাস্টারের মতে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতার প্রস্তাবটি সম্ভবত নিরপেক্ষ নয় এবং এর পেছনে বেইজিংয়ের প্রভাব থাকতে পারে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, চীন বর্তমানে ইরানের ৯০ শতাংশ তেল কিনে তাদের অর্থনৈতিক ব্যবস্থার চালিকাশক্তি বা ‘এটিএম’ সচল রাখছে, যা তেহরানকে আঞ্চলিক কার্যক্রম চালিয়ে যেতে সহায়তা করছে।
পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সঙ্গে নিজের পূর্ব অভিজ্ঞতাকে অত্যন্ত ‘হতাশাজনক’ হিসেবে বর্ণনা করে ম্যাকমাস্টার অভিযোগ করেন যে, দেশটি নিরাপত্তা সহযোগিতার ক্ষেত্রে দীর্ঘকাল ধরে দ্বিমুখী নীতি অনুসরণ করে আসছে। তাঁর ভাষ্যমতে, পাকিস্তান একদিকে বন্ধুত্বের প্রস্তাব দেয় এবং সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ে সহযোগিতার কথা বলে, কিন্তু একই সময়ে তারা পর্দার আড়ালে শত্রুদেরও সমর্থন দিয়ে থাকে। এই দ্বিমুখী আচরণের কারণেই তিনি পাকিস্তানের বর্তমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে সন্দেহের চোখে দেখছেন।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিরসনে পাকিস্তানের কূটনৈতিক ভূমিকা নিয়ে গভীর সন্দেহ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এইচ. আর. ম্যাকমাস্টার। পাকিস্তানকে চীনের একটি ‘প্রভাবাধীন রাষ্ট্র’ বা ‘ক্লায়েন্ট’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি সতর্ক করেছেন যে, তাদের এই মধ্যস্থতা প্রচেষ্টার পেছনে কোনো ‘গোপন উদ্দেশ্য’ থাকতে পারে। একটি বিদেশি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এই আশঙ্কার কথা জানান।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে দায়িত্ব পালন করা এই সাবেক কর্মকর্তা জানান, চীনা কমিউনিস্ট পার্টির স্বার্থ ইরানের বর্তমান সরকারকে টিকিয়ে রাখার সঙ্গে সরাসরি জড়িত। ম্যাকমাস্টারের মতে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতার প্রস্তাবটি সম্ভবত নিরপেক্ষ নয় এবং এর পেছনে বেইজিংয়ের প্রভাব থাকতে পারে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, চীন বর্তমানে ইরানের ৯০ শতাংশ তেল কিনে তাদের অর্থনৈতিক ব্যবস্থার চালিকাশক্তি বা ‘এটিএম’ সচল রাখছে, যা তেহরানকে আঞ্চলিক কার্যক্রম চালিয়ে যেতে সহায়তা করছে।
পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সঙ্গে নিজের পূর্ব অভিজ্ঞতাকে অত্যন্ত ‘হতাশাজনক’ হিসেবে বর্ণনা করে ম্যাকমাস্টার অভিযোগ করেন যে, দেশটি নিরাপত্তা সহযোগিতার ক্ষেত্রে দীর্ঘকাল ধরে দ্বিমুখী নীতি অনুসরণ করে আসছে। তাঁর ভাষ্যমতে, পাকিস্তান একদিকে বন্ধুত্বের প্রস্তাব দেয় এবং সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ে সহযোগিতার কথা বলে, কিন্তু একই সময়ে তারা পর্দার আড়ালে শত্রুদেরও সমর্থন দিয়ে থাকে। এই দ্বিমুখী আচরণের কারণেই তিনি পাকিস্তানের বর্তমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে সন্দেহের চোখে দেখছেন।

আপনার মতামত লিখুন