ফ্লোরিডার একটি জলাশয় থেকে উদ্ধার হওয়া দ্বিতীয় লাশটি নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির বলে নিশ্চিত করেছে হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফ অফিস। শুক্রবার বৃষ্টির ভাইকে ফোন করে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এর আগে গত ১৬ এপ্রিল থেকে বৃষ্টির সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাস এবং মিয়ামি কনস্যুলেটের মাধ্যমে তাঁর মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
অন্যদিকে, হত্যাকাণ্ডের শিকার অপর শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ ২ মে অরল্যান্ডো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে পাঠানো হবে এবং ৪ মে তা ঢাকা পৌঁছাবে। লিমন ও বৃষ্টি দুজনেই ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার শিক্ষার্থী ছিলেন। এ জোড়া খুনের ঘটনায় লিমনের রুমমেট মার্কিন নাগরিক হিশাম সালেহ আবুগারবিয়েহকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে, যার বিরুদ্ধে প্রথম ডিগ্রির পরিকল্পিত খুনের দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে।
আদালতের নথি ও তদন্তকারীদের দাবি অনুযায়ী, হিশাম তাঁর বাসার ভেতরেই দুজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করেন। এরপর প্রমাণ মুছতে ক্লিনিং সরঞ্জাম ব্যবহার করেন এবং লিমনের লাশ একটি কালো আবর্জনা ফেলার ব্যাগে ভরে হাওয়ার্ড ফ্রাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের পাশে ফেলে আসেন। তদন্তকারীরা লিমনের লাশ ফেলে আসার স্থানে এবং নিহতদের মোবাইল ফোনের কাছাকাছি হিশামের ফোনের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছেন। এমনকি অনলাইন থেকে হত্যাকাণ্ডের সরঞ্জাম কেনা এবং লাশ গুম করার বিষয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তা নেওয়ার তথ্যও উঠে এসেছে তদন্তে।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
ফ্লোরিডার একটি জলাশয় থেকে উদ্ধার হওয়া দ্বিতীয় লাশটি নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির বলে নিশ্চিত করেছে হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফ অফিস। শুক্রবার বৃষ্টির ভাইকে ফোন করে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এর আগে গত ১৬ এপ্রিল থেকে বৃষ্টির সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাস এবং মিয়ামি কনস্যুলেটের মাধ্যমে তাঁর মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
অন্যদিকে, হত্যাকাণ্ডের শিকার অপর শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ ২ মে অরল্যান্ডো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে পাঠানো হবে এবং ৪ মে তা ঢাকা পৌঁছাবে। লিমন ও বৃষ্টি দুজনেই ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার শিক্ষার্থী ছিলেন। এ জোড়া খুনের ঘটনায় লিমনের রুমমেট মার্কিন নাগরিক হিশাম সালেহ আবুগারবিয়েহকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে, যার বিরুদ্ধে প্রথম ডিগ্রির পরিকল্পিত খুনের দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে।
আদালতের নথি ও তদন্তকারীদের দাবি অনুযায়ী, হিশাম তাঁর বাসার ভেতরেই দুজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করেন। এরপর প্রমাণ মুছতে ক্লিনিং সরঞ্জাম ব্যবহার করেন এবং লিমনের লাশ একটি কালো আবর্জনা ফেলার ব্যাগে ভরে হাওয়ার্ড ফ্রাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের পাশে ফেলে আসেন। তদন্তকারীরা লিমনের লাশ ফেলে আসার স্থানে এবং নিহতদের মোবাইল ফোনের কাছাকাছি হিশামের ফোনের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছেন। এমনকি অনলাইন থেকে হত্যাকাণ্ডের সরঞ্জাম কেনা এবং লাশ গুম করার বিষয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তা নেওয়ার তথ্যও উঠে এসেছে তদন্তে।

আপনার মতামত লিখুন