ঢাকা নিউজ

নিজস্ব প্রযুক্তিতে বিশাল বিমানবাহী রণতরি বানাচ্ছে তুরস্ক



নিজস্ব প্রযুক্তিতে বিশাল বিমানবাহী রণতরি বানাচ্ছে তুরস্ক
ছবি : সংগৃহীত

সামরিক শক্তিতে বিশ্বজুড়ে নিজেদের প্রভাব আরও সুসংহত করতে তুরস্ক তাদের প্রথম নিজস্ব বিমানবাহী রণতরি ‘মুগেম’ নির্মাণের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে নিচ্ছে। তুরস্কের নৌবাহিনীর প্রধান এরকুমেন্ত তাতলোইগু জানিয়েছেন, আগামী বছরের শেষ নাগাদ এই বিশাল রণতরিটির নির্মাণকাজ শেষ হতে পারে। প্রায় ৬০ হাজার টন ধারণক্ষমতা এবং ২৮৫ মিটার দৈর্ঘ্যের এই জাহাজটি হবে তুরস্কের ইতিহাসের বৃহত্তম যুদ্ধজাহাজ।

অত্যাধুনিক এই রণতরিটিতে একসাথে প্রায় ৬০টি বিমান বহনের সক্ষমতা থাকবে এবং এটি স্বল্প দূরত্বে উড্ডয়ন সুবিধার আধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত। এতে তুরস্কের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি মানববিহীন যুদ্ধবিমান ‘কিজিলেলমা’, ‘হুরজেট’ হালকা যুদ্ধবিমান এবং এআই-নিয়ন্ত্রিত ‘বায়রাকতার টিবি৩’ ড্রোন মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান ‘কান’-এর নৌ সংস্করণও এখানে যুক্ত হতে পারে।

আঞ্চলিক ও ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে প্রতিরক্ষা খাতে তুরস্কের এই বিশাল বিনিয়োগকে সামরিক শক্তি বৃদ্ধির স্পষ্ট বার্তা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। একাধিক শিপইয়ার্ডের সমন্বিত প্রচেষ্টায় দ্রুত নির্মাণাধীন এই রণতরিটি ২০৩০ সালের মধ্যে পুরোপুরি কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রজেক্ট ন্যাটোর ভেতরে তুরস্কের গুরুত্ব বাড়ানোর পাশাপাশি দেশটির আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬


নিজস্ব প্রযুক্তিতে বিশাল বিমানবাহী রণতরি বানাচ্ছে তুরস্ক

প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬

featured Image

সামরিক শক্তিতে বিশ্বজুড়ে নিজেদের প্রভাব আরও সুসংহত করতে তুরস্ক তাদের প্রথম নিজস্ব বিমানবাহী রণতরি ‘মুগেম’ নির্মাণের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে নিচ্ছে। তুরস্কের নৌবাহিনীর প্রধান এরকুমেন্ত তাতলোইগু জানিয়েছেন, আগামী বছরের শেষ নাগাদ এই বিশাল রণতরিটির নির্মাণকাজ শেষ হতে পারে। প্রায় ৬০ হাজার টন ধারণক্ষমতা এবং ২৮৫ মিটার দৈর্ঘ্যের এই জাহাজটি হবে তুরস্কের ইতিহাসের বৃহত্তম যুদ্ধজাহাজ।

অত্যাধুনিক এই রণতরিটিতে একসাথে প্রায় ৬০টি বিমান বহনের সক্ষমতা থাকবে এবং এটি স্বল্প দূরত্বে উড্ডয়ন সুবিধার আধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত। এতে তুরস্কের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি মানববিহীন যুদ্ধবিমান ‘কিজিলেলমা’, ‘হুরজেট’ হালকা যুদ্ধবিমান এবং এআই-নিয়ন্ত্রিত ‘বায়রাকতার টিবি৩’ ড্রোন মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান ‘কান’-এর নৌ সংস্করণও এখানে যুক্ত হতে পারে।

আঞ্চলিক ও ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে প্রতিরক্ষা খাতে তুরস্কের এই বিশাল বিনিয়োগকে সামরিক শক্তি বৃদ্ধির স্পষ্ট বার্তা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। একাধিক শিপইয়ার্ডের সমন্বিত প্রচেষ্টায় দ্রুত নির্মাণাধীন এই রণতরিটি ২০৩০ সালের মধ্যে পুরোপুরি কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রজেক্ট ন্যাটোর ভেতরে তুরস্কের গুরুত্ব বাড়ানোর পাশাপাশি দেশটির আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ