নিজেকে এখনো আওয়ামী লীগ সমর্থিত একজন মানুষ বলে জানিয়েছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান। মঙ্গলবার এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তিনি আগে থেকেই এই দলের সমর্থক ছিলেন এবং এখনো আছেন। এই অভিনেতা ইতিপূর্বে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নপত্র চেয়েছিলেন, যদিও তা পাননি।
মনোনয়নপত্র চাওয়ার বিষয়টি তাকে রাজনৈতিকভাবে দায়বদ্ধ করে না বলে মনে করেন সিদ্দিকুর রহমান। তিনি জানান, তিনি পেশাদার কোনো রাজনীতিবিদ নন এবং কোনো অন্যায়ের সঙ্গেও জড়িত নন। দিনশেষে তিনি নিজেকে একজন নাট্যকার, অভিনেতা এবং নির্মাতা হিসেবেই পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
দেশের একজন নাগরিক হিসেবে নিজের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং স্বাধীনভাবে কথা বলার অধিকার রয়েছে বলে দাবি করেন সিদ্দিক। তিনি বলেন, তিনি কোনো রাষ্ট্রদ্রোহী কাজের সঙ্গে জড়িত নন এবং কারও কোনো ক্ষতি করেননি, বরং মানবতার সেবক হতে চেয়েছেন।
আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র চাওয়া প্রসঙ্গে সিদ্দিকুর রহমান জানান, ৫ আগস্টের পর দলটির চলে যাওয়া এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার কারণে তিনি অনুতপ্ত। যেহেতু দলটির কার্যক্রম বর্তমানে নিষিদ্ধ, তাই একজন সমর্থক হিসেবে এ বিষয়ে তার কথা বলা উচিত নয় বলে তিনি মনে করেন। তিনি আরও যোগ করেন, রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য করা মূলত পেশাদার রাজনীতিবিদদের কাজ, আর তিনি এখনো নিজেকে পেশাদার রাজনীতিক মনে করেন না।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
নিজেকে এখনো আওয়ামী লীগ সমর্থিত একজন মানুষ বলে জানিয়েছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান। মঙ্গলবার এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তিনি আগে থেকেই এই দলের সমর্থক ছিলেন এবং এখনো আছেন। এই অভিনেতা ইতিপূর্বে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নপত্র চেয়েছিলেন, যদিও তা পাননি।
মনোনয়নপত্র চাওয়ার বিষয়টি তাকে রাজনৈতিকভাবে দায়বদ্ধ করে না বলে মনে করেন সিদ্দিকুর রহমান। তিনি জানান, তিনি পেশাদার কোনো রাজনীতিবিদ নন এবং কোনো অন্যায়ের সঙ্গেও জড়িত নন। দিনশেষে তিনি নিজেকে একজন নাট্যকার, অভিনেতা এবং নির্মাতা হিসেবেই পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
দেশের একজন নাগরিক হিসেবে নিজের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং স্বাধীনভাবে কথা বলার অধিকার রয়েছে বলে দাবি করেন সিদ্দিক। তিনি বলেন, তিনি কোনো রাষ্ট্রদ্রোহী কাজের সঙ্গে জড়িত নন এবং কারও কোনো ক্ষতি করেননি, বরং মানবতার সেবক হতে চেয়েছেন।
আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র চাওয়া প্রসঙ্গে সিদ্দিকুর রহমান জানান, ৫ আগস্টের পর দলটির চলে যাওয়া এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার কারণে তিনি অনুতপ্ত। যেহেতু দলটির কার্যক্রম বর্তমানে নিষিদ্ধ, তাই একজন সমর্থক হিসেবে এ বিষয়ে তার কথা বলা উচিত নয় বলে তিনি মনে করেন। তিনি আরও যোগ করেন, রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য করা মূলত পেশাদার রাজনীতিবিদদের কাজ, আর তিনি এখনো নিজেকে পেশাদার রাজনীতিক মনে করেন না।

আপনার মতামত লিখুন