সাংস্কৃতিক উৎসব ও ঐতিহ্যবাহী খাবারের বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে প্রেস ক্লাব সদস্যদের সন্তানদের পরিবেশনায় ‘এসো হে বৈশাখ’ গানের মধ্য দিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। দিনব্যাপী এই উৎসবে বরেণ্য শিল্পীদের বাউল গান, ভাওয়াইয়া ও দেশি গানের মনমুগ্ধকর পরিবেশনা উপস্থিত সবাইকে বিমোহিত করে।
বর্ষবরণ উপলক্ষে ক্লাব সদস্য ও তাদের পরিবারের জন্য খই, মুড়ি-মুড়কি, পায়েস ও বাতাসা ছাড়াও আয়োজন করা হয়েছিল ঐতিহ্যবাহী খিচুড়ি এবং পান্তা-ইলিশের। অনুষ্ঠানে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে ছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঐতিহ্যবাহী পুতুলনাচ। এছাড়া পুতুল বাউল, উপমা বাউলসহ শিল্পকলা একাডেমির একঝাঁক শিল্পী অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, বাংলা নববর্ষের উৎসব সব ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এক ঐক্যের মিলন ঘটায়। মোগল আমলের হিজরি সাল এবং কৃষকের ফসল ও হালখাতার সংস্কৃতির সমন্বয়েই আমাদের এই বাংলাদেশি সংস্কৃতির উদ্ভব হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সংস্কৃতির বহুত্ববাদ না বুঝে কেউ কেউ এই উৎসবকে ভিন্ন মতের মুখোশ পরাতে চায়, যা অনুচিত। তিনি জাতীয় প্রেস ক্লাবের এই সাংস্কৃতিক চর্চার প্রশংসা করে দেশীয় চিন্তা ও সংস্কৃতিকে বিশ্বদরবারে ঊর্ধ্বে তুলে ধরার ওপর জোর দেন।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিশেষ অনুষ্ঠান ও আপ্যায়ন উপ-কমিটির আহ্বায়ক কাদের গণি চৌধুরী। অনুষ্ঠানে ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়াসহ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের সম্পাদক এবং সাংবাদিক পরিবারের সদস্যরা আনন্দঘন পরিবেশে অংশগ্রহণ করেন।

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
সাংস্কৃতিক উৎসব ও ঐতিহ্যবাহী খাবারের বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে প্রেস ক্লাব সদস্যদের সন্তানদের পরিবেশনায় ‘এসো হে বৈশাখ’ গানের মধ্য দিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। দিনব্যাপী এই উৎসবে বরেণ্য শিল্পীদের বাউল গান, ভাওয়াইয়া ও দেশি গানের মনমুগ্ধকর পরিবেশনা উপস্থিত সবাইকে বিমোহিত করে।
বর্ষবরণ উপলক্ষে ক্লাব সদস্য ও তাদের পরিবারের জন্য খই, মুড়ি-মুড়কি, পায়েস ও বাতাসা ছাড়াও আয়োজন করা হয়েছিল ঐতিহ্যবাহী খিচুড়ি এবং পান্তা-ইলিশের। অনুষ্ঠানে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে ছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঐতিহ্যবাহী পুতুলনাচ। এছাড়া পুতুল বাউল, উপমা বাউলসহ শিল্পকলা একাডেমির একঝাঁক শিল্পী অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, বাংলা নববর্ষের উৎসব সব ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এক ঐক্যের মিলন ঘটায়। মোগল আমলের হিজরি সাল এবং কৃষকের ফসল ও হালখাতার সংস্কৃতির সমন্বয়েই আমাদের এই বাংলাদেশি সংস্কৃতির উদ্ভব হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সংস্কৃতির বহুত্ববাদ না বুঝে কেউ কেউ এই উৎসবকে ভিন্ন মতের মুখোশ পরাতে চায়, যা অনুচিত। তিনি জাতীয় প্রেস ক্লাবের এই সাংস্কৃতিক চর্চার প্রশংসা করে দেশীয় চিন্তা ও সংস্কৃতিকে বিশ্বদরবারে ঊর্ধ্বে তুলে ধরার ওপর জোর দেন।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিশেষ অনুষ্ঠান ও আপ্যায়ন উপ-কমিটির আহ্বায়ক কাদের গণি চৌধুরী। অনুষ্ঠানে ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়াসহ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের সম্পাদক এবং সাংবাদিক পরিবারের সদস্যরা আনন্দঘন পরিবেশে অংশগ্রহণ করেন।

আপনার মতামত লিখুন